মোজতবা খামেনিসহ ১০ ইরানির তথ্যের জন্য কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিসহ দেশটির শীর্ষ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিষয়ে তথ্যের জন্য সর্বোচ্চ ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট মোট ১০ জন কর্মকর্তাকে এই পুরস্কার কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

Mar 13, 2026 - 23:52
মোজতবা খামেনিসহ ১০ ইরানির তথ্যের জন্য কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিসহ দেশটির শীর্ষ সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিষয়ে তথ্যের জন্য সর্বোচ্চ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট মোট ১০ জন কর্মকর্তাকে এই পুরস্কার কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

তালিকায় মোজতবা খামেনির পাশাপাশি রয়েছেন ইরানের নিরাপত্তা আলী লারিজানি, গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দর মোমেনি এবং খামেনির কার্যালয়ের দুজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। আরও চারজন আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তালিকায় থাকলেও কৌশলগত কারণে তাদের নাম ছবি প্রকাশ করা হয়নি।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর গঠিত আইআরজিসি সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার অধীন এবং দেশটির শিয়া ধর্মতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এরপর তার স্থলাভিষিক্ত হন ছেলে মোজতবা খামেনি। দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে জনসমক্ষে খুব কম দেখা গেলেও গত বৃহস্পতিবার প্রথমবার একটি বিবৃতি দেন তিনি।

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছিলেন, ইরানের নেতৃত্ব বর্তমানে মাটির নিচেভীতসন্ত্রস্ত হয়ে লুকিয়েআছে। তবে শুক্রবার প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানে এক সমাবেশে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পজেশকিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন আলী লারিজানি।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা আইআরজিসি বিভিন্ন শাখা পরিচালনা করেন এবং বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত। যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই আইআরজিসিকেবিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠনহিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

তবে তেহরান বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা রাজনৈতিক চাপের ন্যায্যতা প্রমাণ করতেই তাদের এমন অভিযোগ।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স