উত্তর টেক্সাসের মুসলিম হাউজিং প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্যাক্সটনের নতুন মামলা

উত্তর টেক্সাসের মুসলিম হাউজিং প্রকল্প ‘দ্য মেডো’র বিরুদ্ধে আবারও আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন। প্লানোভিত্তিক এই উন্নয়ন প্রকল্পটি ইপিক (ইপিআইসি) সিটি নামে পরিচিত ছিল। প্যাক্সটনের দাবি, প্রকল্পটি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

Dec 7, 2025 - 00:44
উত্তর টেক্সাসের মুসলিম হাউজিং প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্যাক্সটনের নতুন মামলা
টেক্সাস ফিউনারেল সার্ভিস কমিশন এবং টেক্সাস ওয়ার্কফোর্স কমিশনেরও নজরে এসেছে মুসলিম হাউজিং প্রকল্প ‘দ্য মেডো’। ছবি: ফক্স ফোর

উত্তর টেক্সাসের মুসলিম হাউজিং প্রকল্পদ্য মেডো বিরুদ্ধে আবারও আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন টেক্সাসের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন। প্লানোভিত্তিক এই উন্নয়ন প্রকল্পটি ইপিক (ইপিআইসি) সিটি নামে পরিচিত ছিল। প্যাক্সটনের দাবি, প্রকল্পটি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) গত গ্রীষ্মে বিষয়টি তদন্ত করে কোনো বেআইনি উদ্দেশ্যের প্রমাণ না পেয়ে তদন্ত বন্ধ করে দেয়। তবু প্যাক্সটন শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) নতুন মামলা দায়ের করেন ইস্ট প্লানো ইসলামিক সেন্টার (ইপিক), কমিউনিটি ক্যাপিটাল পার্টনার্স (সিসিপি) এবং তাদের কয়েকজন নেতৃত্বের বিরুদ্ধে।

প্যাক্সটনের অভিযোগ, প্রকল্পটি টেক্সাসের সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করেছে। মামলায় দাবি করা হয়েছে, প্রকল্পটি নাকি অবৈধভাবে শুধু মুসলিমদের জন্য আবাসন সংরক্ষণ করার পরিকল্পনায় চলছে এবং নেতৃত্ব পর্যায়ে তহবিল আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে প্যাক্সটন বলেন, ‘ইপিক সিটির পেছনে থাকা নেতারা টেক্সাসের শত শত একর সুন্দর জমি নষ্ট করে নিজেদের পকেট ভরার চক্রান্ত করেছেন। যারা নিয়ম ভেঙে টেক্সাসবাসীর ক্ষতি করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনের পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করব।

ইপিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

প্রকল্পটি টেক্সাসের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের নজরে রয়েছে শুরু থেকেই। গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট, অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাক্সটনসহ একাধিক কর্মকর্তা ইপিআইসি সিটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

টেক্সাস কমিশন অন এনভায়রনমেন্টাল কোয়ালিটি কমিউনিটি ক্যাপিটাল পার্টনার্সকে লেটার পাঠিয়ে জানিয়েছে, প্রকল্পে মিউনিসিপাল ইউটিলিটি ডিস্ট্রিক্ট গঠনে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিতে হবে। গভর্নর অ্যাবট টেক্সাস রেঞ্জারদেরও তদন্তে নামার আহ্বান জানিয়েছেন। এক সামাজিক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘টেক্সাসে শরিয়া আইন চলবে না।

এছাড়া টেক্সাস ফিউনারেল সার্ভিস কমিশন এবং টেক্সাস ওয়ার্কফোর্স কমিশনেরও নজরে এসেছে প্রকল্পটি। প্যাক্সটনের দপ্তর প্লানো, রিচার্ডসন ওয়াইলির নগর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইপিকএর যোগাযোগ নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে।

গত এপ্রিলে ধর্মভিত্তিক বৈষম্যের আশঙ্কা তুলে ধরে সিনেটর জন করনিন কমিউনিটি ক্যাপিটাল পার্টনার্স (সিসিপি) ও ইপিক সিটি নিয়ে তদন্তের অনুরোধ করেছিলেন, তবে জুনে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ সেই তদন্ত বন্ধ করে দেয়। সবশেষ প্যাকস্টনের মামলা আবাসন প্রকল্পটিকে ঘিরে বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে।

তথ্যসূত্র: ফক্স ফোর