খামেনির ছেলে মোজতবা ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সোমবার (৯ মার্চ) ভোরে এ তথ্য জানায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সোমবার (৯ মার্চ) ভোরে এ তথ্য জানায়।
ইরানের ৮৮ সদস্যের ধর্মীয় নেতাদের পরিষদ তাঁকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করেছে। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী এই পরিষদই সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করে।
১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নতুন সর্বোচ্চ নেতা বেছে নিল পরিষদটি। এর আগে বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তিন দশকের বেশি আগে দ্রুততার সঙ্গে আলি খামেনিকে ওই পদে বসানো হয়েছিল।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পরবর্তী নেতা নির্বাচনে তাঁর ‘সম্পৃক্ততা থাকা উচিত’ এবং খামেনির ছেলেকে নির্বাচনের বিষয়টি তিনি ‘গ্রহণযোগ্য মনে করেন না’।
৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি আলি খামেনির দ্বিতীয় ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত এবং ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ও তাদের স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়।
তবে মোজতবা উচ্চপদস্থ কোনো ধর্মীয় নেতা নন এবং সরকারে তাঁর কোনো আনুষ্ঠানিক পদও ছিল না। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। ওয়াশিংটনের অভিযোগ ছিল, তিনি আইআরজিসির কুদস ফোর্স ও বাসিজ বাহিনীর সঙ্গে কাজ করে তাঁর বাবার আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার ও দেশের ভেতরে কঠোর নীতিকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছেন।
এদিকে ইসরায়েলি একটি সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহে এক হামলায় মোজতবাকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তবে ওই হামলায় তিনি নিহত হননি, কেবল আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: সিএনএন