ফেডারেল নীতি বদলে যুক্তরাষ্ট্রে কমেছে অভিবাসীর সংখ্যা
দশকজুড়ে বেড়ে চলা অভিবাসীর সংখ্যা এবার কমতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে রেকর্ড ৫৩.৩ মিলিয়ন অভিবাসী থাকলেও এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে মোট সংখ্যা এক মিলিয়নের বেশি কমেছে। ১৯৬০ সালের পর অভিবাসীর সংখ্যা কমার এটাই প্রথম ঘটনা।
দশকজুড়ে বেড়ে চলা অভিবাসীর সংখ্যা এবার কমতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে রেকর্ড ৫৩.৩ মিলিয়ন অভিবাসী থাকলেও এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে মোট সংখ্যা এক মিলিয়নের বেশি কমেছে। ১৯৬০ সালের পর অভিবাসীর সংখ্যা কমার এটাই প্রথম ঘটনা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে অননুমোদিত অভিবাসীর সংখ্যা ৩.৫ মিলিয়ন বেড়ে ২০২৩ সালে পৌঁছায় ১৪ মিলিয়নে। শুধু টেক্সাসেই অননুমোদিত অভিবাসীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ, যা যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এদের বেশিরভাগই আশ্রয়প্রার্থী বা সাময়িকভাবে দেশে থাকার অনুমতি পাওয়া মানুষ।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি থেকে ফেডারেল নীতির পরিবর্তনে প্রবাহ কমতে থাকে। প্রেসিডেন্ট বাইডেন দায়িত্ব ছাড়ার আগে দক্ষিণ সীমান্তে আশ্রয় আবেদন গ্রহণ স্থগিত করেন এবং প্যারোল কর্মসূচিতেও বিরতি দেওয়া হয়। আর জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সীমান্ত টহল ও নির্বাসন জোরদার করায় অভিবাসীদের ফিরে যাওয়া ও বহিষ্কার—দুটিই বেড়েছে।
শ্রমবাজারেও অননুমোদিত অভিবাসীর ভূমিকা স্পষ্ট। ২০২১ সালে অননুমোদিত অভিবাসী শ্রমিক ছিল ৭.৮ মিলিয়ন, যা ২০২৩ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৯.৭ মিলিয়নে—মোট শ্রমশক্তির ৫.৬%। টেক্সাসে এ হার ছিল ৯%। কৃষি, নির্মাণ ও সেবা খাতে এই শ্রমশক্তির উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি।
গবেষকদের মতে, এ প্রবাহ আরও কমতে থাকলে খাদ্য উৎপাদন থেকে শিল্প অর্ডার পূরণ—সব ক্ষেত্রেই শ্রম সংকটের প্রভাব পড়তে পারে।
তথ্যসূত্র: সিবিএস নিউজ