ট্যারিফ ফেরত চেয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে কস্টকোর মামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত ট্যারিফ ফেরত পেতে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কস্টকো। আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (আইইইপিএ) অধীনে সংগ্রহ করা সব শুল্ককে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করার অনুরোধ জানিয়ে ২৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতে এ মামলা করে পাইকারি খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানটি।

Dec 2, 2025 - 23:27
ট্যারিফ ফেরত চেয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে কস্টকোর মামলা
আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনে সংগ্রহ করা সব শুল্ককে ‘অবৈধ’ ঘোষণার অনুরোধ জানিয়েছে কস্টকো। ছবি: এনবিসি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত ট্যারিফ ফেরত পেতে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কস্টকো। আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (আইইইপিএ) অধীনে সংগ্রহ করা সব শুল্ককেঅবৈধঘোষণা করার অনুরোধ জানিয়ে ২৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতে মামলা করে পাইকারি খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানটি।

কস্টকোর দাবি, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনে স্পষ্টভাবে প্রেসিডেন্টকে ট্যারিফ আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। তাই ট্রাম্পের নির্দেশে আরোপিত এসব শুল্ক আদায় করার আইনি ভিত্তি নেই। বর্তমানে ট্রাম্পের বিস্তৃত ট্যারিফ নীতির বৈধতা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, যেখানে বিচারপতিরা সরকারপক্ষের যুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

২০১৯ সালে ট্রাম্প প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে আইইইপিএ ব্যবহার করে আমদানি শুল্ক আরোপ করেন। নিম্ন আদালতগুলো ব্যবহারের বিরুদ্ধে রায় দিলেও শুনানি চলাকালে ট্যারিফ কার্যকর রেখেছিল। জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনে পর্যন্ত আমদানিকারকদের কাছ থেকে প্রায় ৯০ বিলিয়ন ডলার শুল্ক আদায় হয়েছে, আর মোট ট্যারিফ আদায় দাঁড়িয়েছে ২০৫ বিলিয়ন ডলার।

কস্টকো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের মোট বিক্রির এক-তৃতীয়াংশই আমদানি নির্ভর। চীন থেকে আমদানি করা পণ্যের হিস্যা প্রায় শতাংশ। ফলে ট্যারিফ সরাসরি তাদের ব্যবসায় প্রভাব ফেলেছেবিশেষ করে মধ্য দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আনা আনারস, কলার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যে। তবুও মূল্য না বাড়িয়ে গ্রাহকদের সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ট্যারিফের প্রভাব কমাতে সরবরাহকারী উৎপাদনস্থল পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিকল্প পথ খুঁজছে বলে জানিয়েছে কস্টকো।

এই মামলার মাধ্যমে কস্টকো যোগ হলো রেভলন, কাওয়াসাকি, ইয়োকোহামা টায়ারসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের তালিকায়, যারা ট্রাম্প প্রশাসনের ট্যারিফ ফেরত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।

তথ্যসূত্র: এনবিসি