গণভোটের ফল বাস্তবায়ন ঠেকাতে হাইকোর্টে রিট
গণভোট-২০২৬–এর ফলাফল বাস্তবায়ন থেকে বিরত রাখতে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ রিটটি দায়ের করেন।
গণভোট-২০২৬–এর ফলাফল বাস্তবায়ন থেকে বিরত রাখতে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ রিটটি দায়ের করেন।
রিটে ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ফলাফলের গেজেট স্থগিত ও বাতিল চাওয়া হয়েছে। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে বলে জানান আবেদনকারী।
আবেদনে বলা হয়েছে, একটি স্পষ্ট সাংবিধানিক কাঠামো ও গণভোট আইন ছাড়া ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট আয়োজন করা হয়েছে, যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ও জনগণের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী। এতে অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘সাংবিধানিক ট্রাস্টি’ উল্লেখ করে বলা হয়, সাংবিধানিক অনুমোদন ছাড়া ক্ষমতার চর্চা বাতিলযোগ্য।
রিটে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট ও ১৩ ফেব্রুয়ারির গেজেট কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এ মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় গণভোটের ফল বাস্তবায়ন না করার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে গণভোটের আগে সুস্পষ্ট সাংবিধানিক ও আইনগত কাঠামো প্রণয়নের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, আইনসচিব ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত প্রস্তাবের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্যে দেখা যায়, ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬। অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ ভোট দ্বিগুণের বেশি।
ডালাস বার্তা প্রতিবেদক