পাকিস্তানি স্ত্রীকে করাচিতে রেখে ভারতে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতি, মোদির কাছে নালিশ নিকিতার

পাকিস্তানের করাচির নিকিতা নাগদেব দাবি করেছেন—ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্বামী বিক্রম নাগদেব তাঁকে ফেলে রেখে দিল্লিতে দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা তাঁর আবেগভরা ভিডিও এখন দুই দেশের সমাজ ও আইনি মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

Dec 7, 2025 - 01:44
পাকিস্তানি স্ত্রীকে করাচিতে রেখে ভারতে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতি, মোদির কাছে নালিশ নিকিতার
নিকিতার অভিযোগ, করোনা মহামারির সময় বিক্রম তাঁকে পাকিস্তানে ফিরে যেতে বাধ্য করেছিলেন। ছবি: এনডিটিভি

পাকিস্তানের করাচির নিকিতা নাগদেব দাবি করেছেনভারতীয় বংশোদ্ভূত স্বামী বিক্রম নাগদেব তাঁকে ফেলে রেখে দিল্লিতে দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা তাঁর আবেগভরা ভিডিও এখন দুই দেশের সমাজ আইনি মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

নিকিতার ভাষ্য, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে করাচিতে হিন্দু প্রথায় বিয়ে হয় তাদের। এরপর বিক্রম তাঁকে ভারতে আনলেও কয়েক মাস পরভিসা জটিলতারঅজুহাতে আটারি সীমান্তে ঠেলে পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। তারপর থেকে স্বামী আর কোনোদিন তাঁকে ফিরিয়ে নেননি। ভিডিও বার্তায় নিকিতা বলেন, “আমি বারবার অনুরোধ করেছি, কিন্তু তিনি সবসময়ই এড়িয়ে গেছেন।

নিকিতার অভিযোগ, বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির আচরণ পাল্টে যায়। স্বামীর পরকীয়ার বিষয়টি জানালে শ্বশুর নাকি বলেন, “ছেলেরা সম্পর্ক করেই, এতে কিছু করার নেই।কোভিড লকডাউনের সময় জোর করেই তাঁকে পাকিস্তানে পাঠানো হয়যা তাঁর অভিযোগে বড় আঘাত হয়ে আছে।

করাচিতে ফিরে এসে তিনি জানতে পারেন, বিক্রম দিল্লিতে আরেক নারীর সঙ্গে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এতে হতাশ হয়ে তিনি জানুয়ারি মাসে লিখিত অভিযোগ দেন। মামলা ওঠে সিন্ধি পঞ্চ মধ্যস্থতা আইনি পরামর্শ কেন্দ্রে, যেখানে শুনানি হলেও সমাধান হয়নি। কেন্দ্রটি বলেছে, দুজনের কেউ ভারতীয় নাগরিক নন, তাই বিষয়টি পাকিস্তানের এখতিয়ারভুক্ত। বিক্রমকে সেখানে ফেরত পাঠানোরও সুপারিশ করা হয়।

নিকিতা পরে ইন্দোর সমাজ পঞ্চায়েতেও অভিযোগ জানিয়েছেন। সেখানেও বিক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। জেলা প্রশাসন জানিয়েছেতদন্ত চলছে, রিপোর্টের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে নিকিতার ভিডিও বার্তা এখন মোদির দপ্তর পর্যন্ত পৌঁছেছে। তাঁর দাবি—“ন্যায়বিচার না পেলে নারীরা আইনের প্রতি বিশ্বাস হারাবে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি