এআইকেন্দ্রিক পুনর্গঠনে যাচ্ছে এইচপি, ২০২৮ সালের মধ্যে চাকরি হারাবে ৬ হাজার কর্মী
কম খরচে আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে বড় ধরনের পুনর্গঠনে যাচ্ছে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এইচপি। পরিচালন ব্যয় কমাতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে আগামী তিন বছরের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ৪–৬ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠানটির।
কম খরচে আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে বড় ধরনের পুনর্গঠনে যাচ্ছে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এইচপি। পরিচালন ব্যয় কমাতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে আগামী তিন বছরের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ৪–৬ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠানটির।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২৮ অর্থবছরের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ৪,০০০ থেকে ৬,০০০ কর্মী কমানোর পরিকল্পনা করেছে তাররা। লক্ষ্য—অপারেশন সহজ করা, পণ্য উন্নয়ন দ্রুততর করা এবং এআই ব্যবহারে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো।
এইচপির সিইও এনরিক লরেস জানান, এর প্রভাব পড়বে পণ্য উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ অপারেশন ও কাস্টমার সাপোর্ট বিভাগে। এই উদ্যোগে তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটির খরচ সাশ্রয় হবে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার।
এর আগেও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এইচপি ১,০০০–২,০০০ কর্মী ছাঁটাই করেছিল।
এআই–সংবলিত কম্পিউটারের বাজার চাহিদা চাহিদা বাড়ায় এইচপির সামগ্রিক শিপমেন্টের ৩০ শতাংশই এখন এআই–ফিচারযুক্ত। তবে মেমোরি চিপের বৈশ্বিক দাম বাড়ায় ভবিষ্যতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। বিশেষ করে ২০২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে এ চাপ বেশি অনুভূত হতে পারে।
এইচপির সিইও এনরিক লরেস জানান, ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে এই বাড়তি ব্যয়ের প্রভাব পড়বে কোম্পানির ওপর। প্রথমার্ধের জন্য তাদের পর্যাপ্ত স্টক আছে। ব্যয় নিয়ন্ত্রণে তারা কমদামি সরবরাহকারী যোগ করা, মেমোরি কনফিগারেশন কমানো ও দাম সমন্বয়ের মতো পদক্ষেপ নিচ্ছে।
২০২৬ অর্থবছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা ২.৯০ থেকে ৩.২০ ডলারের মধ্যে হতে পারে বলে এইচপি পূর্বাভাস দিয়েছে, যা বাজারের প্রত্যাশার চেয়ে কম। প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা ছিল ৭৯ সেন্টের নিচে। তবে চতুর্থ প্রান্তিকে রাজস্ব হয়েছে ১৪.৬৪ বিলিয়ন ডলার, যা প্রত্যাশার চেয়ে সামান্য বেশি।
তথ্যসূত্র: সিএনএন