ফ্লোরিডায় ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠক: উষ্ণতা থাকলেও অগ্রগতি নেই
ফ্লোরিডার মার-আ-লাগোতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকে সৌজন্য আর প্রশংসার ঘাটতি ছিল না। তবে গাজা শান্তি পরিকল্পনায় বাস্তব অগ্রগতি দেখা যায়নি।
ফ্লোরিডার মার-আ-লাগোতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকে সৌজন্য আর প্রশংসার ঘাটতি ছিল না। তবে গাজা শান্তি পরিকল্পনায় বাস্তব অগ্রগতি দেখা যায়নি।
সোমবারের এই বৈঠকে গাজা, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও ইরান—এই তিনটি বড় ইস্যু আলোচনায় থাকার কথা জানান ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, শুরুতেই কয়েকটি বিষয়ে সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছানো গেছে। কিন্তু এক ঘণ্টার বেশি আলোচনা শেষে দুই নেতা সাংবাদিকদের সামনে এলেও কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত ঘোষণা হয়নি।
এর বদলে বৈঠকের বড় অংশ জুড়েই ছিল পারস্পরিক প্রশংসা। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ‘ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ বলে আখ্যা দেন এবং তাকে ইসরায়েলের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘ইসরায়েল প্রাইজ ফর পিস’ দেওয়ার ঘোষণা দেন। ট্রাম্পও নেতানিয়াহুকে ‘যুদ্ধকালীন শক্ত নেতা’ হিসেবে প্রশংসা করেন।
তবে মতপার্থক্য স্পষ্ট রয়ে গেছে। বিশেষ করে পশ্চিম তীর দখল বা সংযুক্তকরণ প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান এক নয়। ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, এ বিষয়ে দু’পক্ষের শতভাগ ঐক্য নেই।
গাজার শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ নিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি। ট্রাম্প এ নিয়ে উদ্বেগ কম দেখালেও হামাসের নিরস্ত্রীকরণকে মূল শর্ত হিসেবে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুনর্গঠন করলে আবারও হামলা হতে পারে।
সব মিলিয়ে, বৈঠকটি কূটনৈতিক উষ্ণতা দেখালেও মধ্যপ্রাচ্যের জটিল সংকটে কোনো অচলাবস্থা ভাঙতে পারেনি।
তথ্যসূত্র: সিএনএন