ডালাসে চোরচক্রের বিরুদ্ধে অভিযানে ৫ আটক, বিলিয়ন ডলারের মালামাল উদ্ধার
ডালাসে বড় এক চোরচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১০ লাখ ডলারের চুরি হওয়া মালামাল। মাসের শুরুর দিকে একটি চুরি যাওয়া ট্রেলার মেরামতের জন্য শহরের একটি অটোরিপেয়ার শপে ঢোকার পরই মিলেছিল এই চোরচক্রের সন্ধান।
ডালাসে বড় এক চোরচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১০ লাখ ডলারের চুরি হওয়া মালামাল। মাসের শুরুর দিকে একটি চুরি যাওয়া ট্রেলার মেরামতের জন্য শহরের একটি অটোরিপেয়ার শপে ঢোকার পরই মিলেছিল এই চোরচক্রের সন্ধান।
চলতি মাসের ১ তারিখে সাউথ সেন্ট্রাল ক্রাইম রেসপন্স টিমকে জানানো হয়—বেনব্রুক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের তালিকাভুক্ত চুরি হওয়া একটি ট্রেলার ইউনিভার্সিটি হিলস বুলেভার্ডের ৫২০০ ব্লকে একটি রিপেয়ার শপে আনা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাকচালকসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেলভেজ স্কোয়াডের কর্মকর্তারা জানতে পারেন—চুরি চক্রে রিপেয়ার শপটির মালিক ও ম্যানেজারও জড়িত। পুলিশ জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে শপটিকে চুরি করা মালামালের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছিল।
তদন্ত এগিয়ে নিতে তল্লাশি ওয়ারেন্ট কার্যকরের পর উদ্ধার করা হয় বিপুল মালামাল—যা অন্তত ১০টি কার্গো চুরির ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে আছে ৬০০টি অ্যালুমিনিয়াম রিম, একটি ট্রেলার, একটি মোটরসাইকেল, একটি এটিভি, একটি গাড়ির ইঞ্জিন, একটি রেফ্রিজারেটর, একাধিক এয়ার কন্ডিশনার, অনেকগুলো মোটর অয়েলের কার্টন এবং ৭৯৫টি টায়ার। পুলিশ নগদ ৩২ হাজার ডলারও জব্দ করেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজন হলেন-জনি ভেইল (৩৯), আব্দুল্লাহ মজিদ (৩৯), মোহাম্মদ হুসাইনি (৩৭), জাস্টিন কেনি (৩৭) এবং অ্যান্থনি ওয়াকার (৫৪)। তাদের সবার বিরুদ্ধেই উচ্চমূল্যের সম্পদ চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, তদন্ত এখনও চলছে এবং এই চক্রে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: সিবিএস নিউজ