ডালাসে বড়দিনের মানবিকতা: গৃহহীনদের পাশে নর্থ টেক্সাসের মানুষ
বড়দিনের সকালে ডালাসের আরভে স্ট্রিটের একাংশ যেন রূপ নিয়েছিল ‘সান্তার গলিতে’। সান্তা টুপি পরা স্বেচ্ছাসেবীরা গরম খাবার পরিবেশন করছেন, বাজছে ক্রিসমাসের গান, আর পথ দিয়ে যাওয়া কোনো কোনো গাড়ি থেমে দিচ্ছে সাহায্যের হাত। এই সব আয়োজন গৃহহীন মানুষের জন্য। খাবার, বিভিন্ন উপহার ও সহমর্মিতা নিয়ে গৃহহীনদের পাশে দাঁড়িয়েছেন নর্থ টেক্সাসের বিভিন্ন বিভিন্ন সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীরা।
বড়দিনের সকালে ডালাসের আরভে স্ট্রিটের একাংশ যেন রূপ নিয়েছিল ‘সান্তার গলিতে’। সান্তা টুপি পরা স্বেচ্ছাসেবীরা গরম খাবার পরিবেশন করছেন, বাজছে ক্রিসমাসের গান, আর পথ দিয়ে যাওয়া কোনো কোনো গাড়ি থেমে দিচ্ছে সাহায্যের হাত। এই সব আয়োজন গৃহহীন মানুষের জন্য। খাবার, বিভিন্ন উপহার ও সহমর্মিতা নিয়ে গৃহহীনদের পাশে দাঁড়িয়েছেন নর্থ টেক্সাসের বিভিন্ন বিভিন্ন সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীরা।
প্রায় এক দশক ধরে বড়দিনে এখানে সেবা দিয়ে আসছেন লেটিশিয়া ওউয়েন্স। তাঁর ভাষায়, আগে মানুষের উপস্থিতি থাকত ছিল কম; এখন ভিড় বেশি—যা একদিকে চাহিদা বাড়ার ইঙ্গিত, অন্যদিকে মানুষের হৃদয়ে সহমর্মিতা জেগে ওঠার প্রমাণ। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘হোয়্যার আর ইউ? হোমলেস আউটরিচ’–এর হয়ে তিনি খাবার, পানীয়, পানি ও টর্চলাইট বিতরণ করেন।
কয়েক গজ দূরে মেস্কুইট থেকে আসা ‘দ্য অ্যাবানড্যান্ট লাইফ ওয়ারশিপ সেন্টার ডিএফডব্লিউ’–এর দল গরম খাবার আর শীতের পোশাক বিতরণ করেছে। সিনিয়র পাস্টর মাইরন জোনস মনে করিয়ে দেন—অনেকে এক মাসের বেতন দূরে এমন লাইনে দাঁড়িয়ে পড়তে পারেন। তাই কৃতজ্ঞতা ও ফিরিয়ে দেওয়ার দায় ভুলে গেলে চলবে না।
চার বছর ধরে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার খাবার বিতরণ করে আসা এই চার্চ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে থ্যাংকসগিভিং ও বড়দিনেও উদ্যোগ বাড়িয়েছে। জোনস বলেন, গৃহহীন জীবনে মানুষ মনে করে সমাজ আর ঈশ্বর—দুজনই তাকে ভুলে গেছে; বাস্তবতা ঠিক উল্টো।
এই অনুভূতি ওউয়েন্স নিজের জীবন থেকেই জানেন। ২০১২ সালে গাড়িতে বসবাস করা ওউয়েন্স আজ গৃহহীন থেকে সহায়কের ভূমিকায়। তাঁর কথায়, ‘একাকিত্বটা জানি। তখন যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, আজ আমিও সেটাই করতে চাই।’
ডালাসে বড়দিনের এই মানবিক কর্নার তাই শুধু খাবার নয়—আশার ঠিকানাও।
তথ্যসূত্র: এনবিসি ৫