তরুণেরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়, বাংলাদেশ ২.০: জামায়াতে আমির

এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের তরুণেরা নতুন বাংলাদেশ দেখত চান বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় টেলিভিশন ও বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণে জামায়াতে আমির বলেন, ‘আমাদের তরুণেরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়। যে দেশকে তারা গর্ব করে বলতে পারবে নতুন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ২.০।’

Feb 9, 2026 - 14:22
তরুণেরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়, বাংলাদেশ ২.০: জামায়াতে আমির
বাংলাদেশ টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: স্ক্রিনগ্র্যাব

এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের তরুণেরা নতুন বাংলাদেশ দেখত চান বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় টেলিভিশন বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণে জামায়াতে আমির বলেন,আমাদের তরুণেরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়। যে দেশকে তারা গর্ব করে বলতে পারবে নতুন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ .০।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা জুলাই আর চাই না। আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে আর কোনো দিন জনগণকে রাস্তায় নামতে না হয়। আমাদের বুঝতে হবে, জুলাই কেন হয়েছিল। জুলাই হয়েছিল একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য। জুলাই হয়েছিল একটা কালো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তনের জন্য। যুগের পর যুগ ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল পরিবারতন্ত্রের হাতে, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে। সেখান থেকে মুক্তির জন্য,’ যোগ করেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, ‘দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না।

নতুন প্রজন্মের লাখ লাখ সাহসী সন্তান এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতে আমির। তিনি বলেন, এই দেশ সময়ের এই সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যত এই তরুণরা রচনা করবে।

প্রচলিত ধারা বদলের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, ‘দেশটা বিভেদ বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকুক, মানুষের জীবনে শান্তি ফিরুক। এই আমাদের চাওয়া। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে। এমন বাংলাদেশ যেখানে কেবল পারিবারিক পরিচয়ে কেউ দেশের চালকের আসনে বসতে পারবে না। এমন বাংলাদেশ যেখানে রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের।

সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, ‘জনগণ চায় একটু নিরাপত্তা, সুশাসন ইনসাফ তাই আগামীর বাংলাদেশকে এসব অঙ্গীকার মূল্যবোধের আলোকে সাজাতে চাই। রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত সংস্কার এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশে আমরাই প্রথম পলিসি সামিট এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি-কৌশল জনগণের সামনে তুলে ধরেছি। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এর প্রতিফলন রয়েছে। আমরা সরকার গঠন করলে প্রথম দিনে ফজর নামাজ পড়েই আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন শুরু করব।

ডালাস বার্তা প্রতিবেদক