ডালাসে সংকটে থাকা শিশুদের জন্য আনন্দ নিয়ে আসে ‘হলিডে অব হোপ’
ডালাস চিলড্রেন্স অ্যাডভোকেসি সেন্টারে (ডিসিএসি) এবারও চলছে ‘হলিডে অব হোপ’ ক্যাম্পেইন। যার লক্ষ্য সংকটে থাকা শিশু ও তাদের পরিবারকে উৎসবের আনন্দ ফিরিয়ে দেওয়া। কেন্দ্রটি সারা বছর যেসব ১,৩০০–এর বেশি শিশুদের সহায়তা দেয়—যারা নির্যাতনের শিকার, অবহেলিত কিংবা সহিংসতার সাক্ষী।
ডালাস চিলড্রেন্স অ্যাডভোকেসি সেন্টারে (ডিসিএসি) এবারও চলছে ‘হলিডে অব হোপ’ ক্যাম্পেইন। যার লক্ষ্য সংকটে থাকা শিশু ও তাদের পরিবারকে উৎসবের আনন্দ ফিরিয়ে দেওয়া। কেন্দ্রটি সারা বছর যেসব ১,৩০০–এর বেশি শিশুদের সহায়তা দেয়—যারা নির্যাতনের শিকার, অবহেলিত কিংবা সহিংসতার সাক্ষী।
‘হলিডে অব হোপ’ ক্যাম্পেইনকে ঘিরে স্বেচ্ছাসেবক ও কর্মীদের ব্যস্ত সময় কাটছে। বাক্সভর্তি খেলনা, বই, কম্বল, সাইকেলসহ নানা উপহার বাছাই করতে ব্যস্ত তারা। ডিসিএসি’র অ্যাডভোকেসি সার্ভিসেস পরিচালক হানাহ কাউন্টার বলেন, “এই সময়টা আমার সবচেয়ে প্রিয়। এখানে এত আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে—দেখলে মন ভরে যায়।”
অনেক ক্ষেত্রে অপরাধের অভিযোগ যাঁদের বিরুদ্ধে, তাঁরাই পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী। তাই উৎসবের সময় অতিরিক্ত ব্যয় তাদের পক্ষে মেটানো কঠিন। হলিডে অব হোপ’সেই চাপ কমায়—তবে উদ্দেশ্য শুধু উপহার দেওয়া নয়। কাউন্টার বলেন, “আমাদের যত্নশীলরা যেন নিজেদের মর্যাদা বজায় রাখতে পারেন—এটাই আসল কথা। তারাই গাছের নিচে উপহার সাজিয়ে রাখেন, আর শিশুরা ক্রিসমাস সকালে তা খুলে আনন্দ পায়।”
প্রতি বছর ডিসিএসি’র দুটি বড় রুম পরিণত হয় বিনামূল্যের পপ-আপ শপে, যেখানে শিশুর অভিভাবকরা কিনে নিতে পারেন খেলনা, বই, গেম, সাইকেলসহ নানা উপহার। স্বেচ্ছাসেবী ও চিকিৎসক ড. হোপ শেফার্ড বলেন, “এই শিশুরা প্রতিদিনই কঠিন এক পৃথিবীতে বেঁচে থাকে। ছোট্ট একটা খেলনা বা বই তাদের মধ্যে স্বাভাবিক শিশুশৈশবকে একটু হলেও ফিরিয়ে আনে।”
শুধু শিশুরাই নয়, তাদের ভাইবোনরাও উপহার পায়। সব উপহারই আসে দাতাদের অনুদান থেকে—কেউ সরাসরি দেয়, কেউ আয়োজন করেন খেলনা সংগ্রহ অভিযান।
কোন শিশুই বা চায় ক্রিসমাস সকালে খালি হাতে জেগে উঠতে! তাদের আশা পূরণ করতেই ডিসিএসি’র এই হলিডে অব হোপ ক্যাম্পেইন।
তথ্যসূত্র: এনবিসি ৫