ওমানের বৈঠকে ‘ভালো শুরু’র পরও নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধ সতর্কতা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা চরমে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ওমানের রাজধানী মাসকাটে দুই দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের পরোক্ষ বৈঠককে ‘ভালো শুরু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে আলোচনা শেষ হতেই ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, পাশাপাশি ইরানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার জরুরি সতর্কতা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ওমানের রাজধানী মাসকাটে দুই দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের পরোক্ষ বৈঠককে ‘ভালো শুরু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে আলোচনা শেষ হতেই ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, পাশাপাশি ইরানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত দেশ ছাড়ার জরুরি সতর্কতা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
বৈঠকে ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকেই আলোচনার সীমা হিসেবে দেখালেও যুক্তরাষ্ট্র চাইছে কর্মসূচি বন্ধ, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংস এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সমর্থন নিয়েও আলোচনা। ওমান জানিয়েছে, বৈঠকের লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সংলাপের পরিবেশ তৈরি।
এদিকে আলোচনা শেষ হওয়ার দিনই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৪টি জাহাজ, ১৫টি প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ইরান তেল আয়ের অর্থ ‘অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে’ ব্যবহার করছে।
একই দিনে মার্কিন দূতাবাস ইরানে থাকা নাগরিকদের নিজ উদ্যোগে দ্রুত দেশ ছাড়ার পরামর্শ দেয়। ইন্টারনেট বিভ্রাট, ফ্লাইট বাতিল এবং সামরিক সংঘাতের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে আর্মেনিয়া বা তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে স্থলপথ ব্যবহারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বড় নৌবহর ও অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে। চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকির বিপরীতে তেহরানও পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ফলে ওমানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া এই আলোচনা ভবিষ্যতে উত্তেজনা কমাবে, নাকি নতুন সংঘাতের পথ খুলবে—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছেই।
তথ্যসূত্র: বিবিসি, এএফপি, এপি