গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী বাংলাদেশ

গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স—আইএসএফ) অংশ নিতে নীতিগত আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রকে এই অবস্থানের কথা জানায় ঢাকা।

Jan 10, 2026 - 22:54
গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী বাংলাদেশ
মার্কিন রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি অ্যালিসন হুকারের সঙ্গে বৈঠক করেন ড. খলিলুর রহমান। ছবি: প্রেস উইং

গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সআইএসএফ) অংশ নিতে নীতিগত আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রকে এই অবস্থানের কথা জানায় ঢাকা।

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনে মার্কিন কূটনীতিক অ্যালিসন হুকার পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান গাজায় সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আগ্রহ তুলে ধরেন। তবে মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা বা অংশগ্রহণের ধরন সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত জানানো হয়নি। বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

গত অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়, যেখানে গাজায় একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ নিয়ে ইসরায়েল হামাসের মধ্যে অচলাবস্থা কাটেনি।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি হামলায় ৪০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার ২০ লাখেরও বেশি মানুষ এখন ক্ষতিগ্রস্ত ভবন অস্থায়ী তাঁবুতে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ইসরায়েলি সেনারা সরে যাওয়ার পর হামাস পুনরায় ওই ভূখণ্ডে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।

২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে চলমান সংঘাতে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং গাজায় চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। একাধিক মানবাধিকার সংস্থা জাতিসংঘের তদন্ত কমিটি ইসরায়েলের অভিযানে গণহত্যার অভিযোগ তুললেও ইসরায়েল এসব হামলাকে আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করে আসছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স