কী কী শর্ত আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের প্রস্তাবিত চুক্তিতে
অবশেষে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বহুল প্রতীক্ষিত পরমাণু আলোচনা নতুন করে শুরু হওয়ার পথে। তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আপত্তি ও নিষেধাজ্ঞার জেরে বহু দফা আলোচনা হলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। এবার কাতার, তুরস্ক ও মিসরের মধ্যস্থতায় একটি প্রস্তাবিত কাঠামো সামনে এসেছে, যা শুক্রবার ওমানের বৈঠকে আলোচনায় উঠবে।
অবশেষে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বহুল প্রতীক্ষিত পরমাণু আলোচনা নতুন করে শুরু হওয়ার পথে। তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আপত্তি ও নিষেধাজ্ঞার জেরে বহু দফা আলোচনা হলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। এবার কাতার, তুরস্ক ও মিসরের মধ্যস্থতায় একটি প্রস্তাবিত কাঠামো সামনে এসেছে, যা শুক্রবার ওমানের বৈঠকে আলোচনায় উঠবে।
দরকষাকষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, চুক্তির মূল শর্ত হচ্ছে—ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে। প্রস্তাব অনুযায়ী, টানা তিন বছর তেহরান কোনো ধরনের সমৃদ্ধকরণ করবে না। এরপর সীমিত আকারে দেড় শতাংশের কম মাত্রায় সমৃদ্ধকরণ চালু রাখতে পারবে।
বর্তমানে ইরানের কাছে থাকা প্রায় ৪৪০ কেজি, ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম একটি ‘তৃতীয়’ দেশের কাছে হস্তান্তর করার কথাও খসড়ায় রয়েছে।
পরমাণু কর্মসূচির বাইরেও কঠোর শর্ত রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ইরান আঞ্চলিক মিত্রদের—বিশেষ করে রাষ্ট্র নয় এমন গোষ্ঠীগুলোকে—কোনো অস্ত্র বা প্রযুক্তি দিতে পারবে না। এতে হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুতি বিদ্রোহীদের মতো সংগঠনের দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার না করার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।
এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে একটি ‘আগ্রাসন-অব্যাহতি’ চুক্তির প্রস্তাবও রাখা হয়েছে, যাতে সই করলে একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসী পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।
তবে এসব প্রস্তাবে এখনো ওয়াশিংটন বা তেহরানের আনুষ্ঠানিক সম্মতির খবর পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা