ফিফার কোর্টে বল ঠেলে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল ইরান
যুদ্ধ শুরুর পরপরই বিশ্বকাপে ইরানের খেলা নিয়ে একটা অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বরাবরই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলে এসেছেন, বিশ্বকাপে খেলবে ইরান। গত ৩১ মার্চ তুরস্কে কোস্টারিকা-ইরানের প্রীতি ফুটবল দেখতে গিয়ে একই কথা বলেছেন ইনফান্তিনো। তাতে উপসাগরীয় দেশটির বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সংশয় অনেকটাই দূর হয়েছিল। ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ খেলবে না জানিয়ে দেওয়ায় নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পরপরই বিশ্বকাপে ইরানের খেলা নিয়ে একটা অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বরাবরই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলে এসেছেন, বিশ্বকাপে খেলবে ইরান। গত ৩১ মার্চ তুরস্কে কোস্টারিকা-ইরানের প্রীতি ফুটবল দেখতে গিয়ে একই কথা বলেছেন ইনফান্তিনো। তাতে উপসাগরীয় দেশটির বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সংশয় অনেকটাই দূর হয়েছিল। ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ খেলবে না জানিয়ে দেওয়ায় নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপ না খেলার কথা সবশেষ জানিয়েছেন ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ামালি। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইরানের ম্যাচ মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার যে অনুরোধ জানিয়েছিল ইরান, সে অনুরোধে ফিফা ইতিবাচক সাড়া না দিলে ইরান খেলবে না। অর্থাৎ ইরানের বিশ্বকাপ খেলাটা নির্ভর করছে, ইরানের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে নেওয়ার ওপর। ক্রীড়ামন্ত্রীর ভাষায়, ‘অনুরোধ এখনো বহাল আছে; কিন্তু আমরা এখনো কোনো সাড়া পাইনি। যদি অনুরোধ গ্রহণ করা হয়, তবে বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। ফিফা এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো উত্তর দেয়নি।’
আগে ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ইরানের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে। ১৬ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ড, ২২ জুন একই শহরে বেলজিয়াম এবং ২৭ জুন সিয়াটলে মিসরের মুখোমুখি হওয়ার কথা দলটির। কিন্তু বিশ্বকাপ যখন বাকি দুই মাসের মতো, তখন একটা দলের ম্যাচ এক ভেন্যু থেকে আরেক ভেন্যুতে স্থানান্তর করা জটিলই। ফিফা সে পথে হাঁটবে বলে মনে হয় না। গত বুধবার ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার পর ইনফান্তিনো জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘ড্র অনুযায়ী ম্যাচগুলো যেখানে হওয়ার কথা, সেখানেই হবে।’ আলাদা এক বিবৃতিতে ইরানের ম্যাচ মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ নাকচ করে দিয়ে বলেছিলেন, ‘এখানে কোনো প্ল্যান বি, সি বা ডি নেই। প্ল্যান ‘এ’-ই একমাত্র পরিকল্পনা।’
তাহলে ইরানের বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী বলছেন, ‘এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের খেলার সম্ভাবনা খুবই কম।’
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে বিশ্বকাপে স্বাগত জানানোর কথা বললেও ইরানিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়—এমন ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিলেন, ‘সত্যিই আমি বিশ্বাস করি না, তাদের জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে থাকাটা উচিত হবে।’ ট্রাম্পের এ মন্তব্যের সমালোচনা করে ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, আয়োজক দেশকে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়; কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সে নিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি