রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা, দুজন গ্রেপ্তার
রংপুর শহরের দাসপাড়া-মাছুয়াপাড়া এলাকায় তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৩) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২)-র মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ২২ আগস্ট রাত ১১টার দিকে পুলিশ বাড়িটিতে প্রবেশ করে চারটি মৃতদেহ পায়।
রংপুর শহরের দাসপাড়া-মাছুয়াপাড়া এলাকায় তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৩) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২)-র মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত ২২ আগস্ট রাত ১১টার দিকে পুলিশ বাড়িটিতে প্রবেশ করে চারটি মৃতদেহ পায়।
দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছে, ঘটনার পর পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন একই এলাকার সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২১)। পুলিশ জানায়, দুজনই মাদকাসক্ত। গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
নিহতদের মুখে দাহ্য পদার্থ ঢেলে দেওয়া হয়েছে বলে আশঙ্কা করছে পুলিশ। সিআইডির রংপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী জানান, হত্যার আগে বা পরে মুখে দাহ্য পদার্থ ঢালা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে।
গণপতি গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর রংপুর জিলা স্কুল থেকে হিন্দু ধর্মশিক্ষার শিক্ষক হিসেবে অবসর নিয়েছিলেন। তাঁর মেয়ে আগামী এ বছর রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করেছিলেন এবং ছেলে প্রিয়ম রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
রংপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ জানান, গণপতি প্রায় এক মাস আগে বাড়ির নির্মাণকাজ শেষ করতে ভবিষ্যৎ তহবিল থেকে ১৫ লাখ টাকা তুলেছিলেন। রোববার সন্ধ্যায় দাখিগঞ্জ শ্মশানে মৃতদেহগুলো সৎকার করা হয়।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার