জালিয়াতির মামলায় সাজাপ্রাপ্তের ক্ষমা তদন্ত বন্ধ করল ট্রাম্প প্রশাসন
যুক্তরাষ্ট্রে ১৬০ কোটি ডলারের প্রতারণা মামলায় দোষী সাব্যস্ত একজন ব্যক্তির সাজা মওকুফের তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত ২১ জুন রবিবার নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ফেডারেল প্রসিকিউটররা ডেভিড জেন্টাইলের শাস্তি মওকুফের পরিস্থিতি তদন্ত করছিলেন। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একজন ক্যাথলিক পাদরির সহায়তায় এই মওকুফ পাওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ১৬০ কোটি ডলারের প্রতারণা মামলায় দোষী সাব্যস্ত একজন ব্যক্তির সাজা মওকুফের তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গত ২১ জুন রবিবার নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ফেডারেল প্রসিকিউটররা ডেভিড জেন্টাইলের শাস্তি মওকুফের পরিস্থিতি তদন্ত করছিলেন। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একজন ক্যাথলিক পাদরির সহায়তায় এই মওকুফ পাওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রাইভেট ইকুইটি কার্যনির্বাহী ডেভিড জেন্টাইল ১৬০ কোটি ডলারের জালিয়াতিতে দোষী প্রমাণিত হওয়ার পর সাত বছরের সাজা পেয়েছিলেন। কারাগারে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সাজা মওকুফ করেন। ফাদার জোসেফ নোসেলা নামে ট্রাম্পের পরিচিত একজন পাদরি এই মওকুফে সহায়তা করেছেন বলে জানা গেছে।
নিউইয়র্কের ব্রুকলিন থেকে ফেডারেল প্রসিকিউটররা এই ক্ষমা প্রদানের পেছনের পরিস্থিতি তদন্ত করছিলেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন সেই তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এই ঘটনা একটি ধারাবাহিকতার অংশ যেখানে ট্রাম্প প্রশাসন বেশ কিছু বিতর্কিত ক্ষমা প্রদান নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে।
বিরোধী দলীয় রাজনীতিবিদ এবং আইন বিশেষজ্ঞরা এই তদন্ত বন্ধের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তারা বলছেন, এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এই ঘটনা মার্কিন কংগ্রেসেও আলোচনার বিষয় হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রেসিডেন্টকে ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা দিয়েছে, তবে সেই ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। ২০২৫ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে ট্রাম্প একাধিক বিতর্কিত ব্যক্তিকে ক্ষমা করেছেন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষমা প্রদানের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা থাকা জরুরি।
সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস