মেডিকেইডের কোটি মানুষের তথ্য আইসি থেকে পালান্টিরের কাছে গেছে
মার্কিন স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনস্থ মেডিকেইড কর্তৃপক্ষ লক্ষ লক্ষ মানুষের তথ্য অননুমোদিতভাবে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ বিভাগের (আইসি) সঙ্গে শেয়ার করেছে এবং আইসি সেই তথ্য তথ্য বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান পালান্টিরকে দিয়েছে বলে ফেডারেল আদালতের নতুন নথিতে উঠে এসেছে।
মার্কিন স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনস্থ মেডিকেইড কর্তৃপক্ষ লক্ষ লক্ষ মানুষের তথ্য অননুমোদিতভাবে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ বিভাগের (আইসি) সঙ্গে শেয়ার করেছে এবং আইসি সেই তথ্য তথ্য বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান পালান্টিরকে দিয়েছে বলে ফেডারেল আদালতের নতুন নথিতে উঠে এসেছে।
এনপিআরের ১৭ জুলাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০টির বেশি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল গত সপ্তাহে ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতে একটি আবেদন দাখিল করে বিষয়টি তুলে ধরেছেন। পালান্টির তাদের ইএলআইটিই অ্যাপের মাধ্যমে আইসি এজেন্টদের নির্বাসনযোগ্য অভিবাসীদের ঠিকানা দেখিয়ে থাকে।
গত জানুয়ারির সাত তারিখে সেন্টার্স ফর মেডিকেয়ার অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেস (সিএমএস) যে তথ্যভাণ্ডার পাঠায়, সেটিতে বৈধ অভিবাসী ও মার্কিন নাগরিকসহ কোটির বেশি মানুষের তথ্য ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক ভিন্স চ্যাব্রিয়া গত মে মাসে সাময়িকভাবে তথ্য শেয়ার স্থগিত করেন।
মার্কিন বিচার বিভাগ আদালতকে জানিয়েছে, অন্য অঙ্গরাজ্যের তথ্য পাঠাতে গিয়ে সিএমএস আবার ওই একই বৃহৎ তথ্যভাণ্ডার আইসি-র কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে। মুছে ফেলার নির্দেশের পরেও ছয়জন ব্যবহারকারীর কাছে ওই ফাইলের কপি পাওয়া গেছে।
পালান্টির জানিয়েছে, তাদের কাছে পৌঁছানো তথ্যভাণ্ডার মুছে ফেলা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এখন আদালতে তথ্য শেয়ারের অনুমতির পরিধি আরও বিস্তৃত করার আবেদন করেছে। ২০২৪ সালে দায়ের করা এই মামলায় আগামী আগস্টে আরও শুনানি নির্ধারিত রয়েছে।
সূত্র: এনপিআর