বিশ্বকাপে ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুম পরিষ্কার করে প্রশংসা কুড়াল জাপান

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করার পর আবারও আলোচনায় এসেছে জাপান জাতীয় ফুটবল দল। ম্যাচ শেষে আরলিংটনের স্টেডিয়ামে নিজেদের ড্রেসিং রুম পরিষ্কার করে রেখে যায় খেলোয়াড়রা। তাদের এই আচরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

Jun 16, 2026 - 13:44
বিশ্বকাপে ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুম পরিষ্কার করে প্রশংসা কুড়াল জাপান
জাপান জাতীয় ফুটবল দল, ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপ। ছবি: স্ভেতলানা বেকেতোভা / Wikimedia Commons (CC BY-SA 3.0)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করার পর আবারও আলোচনায় এসেছে জাপান জাতীয় ফুটবল দল। ম্যাচ শেষে আরলিংটনের স্টেডিয়ামে নিজেদের ড্রেসিং রুম পরিষ্কার করে রেখে যায় খেলোয়াড়রা। তাদের এই আচরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

রবিবার টেক্সাসের আরলিংটনে অনুষ্ঠিত ম্যাচের পর জাপানি খেলোয়াড়রা ড্রেসিং রুম গুছিয়ে রাখেন। চেয়ারগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়, ব্যবহৃত তোয়ালে ভাঁজ করে রাখা হয় এবং মেঝেতে থাকা আবর্জনা সরিয়ে ফেলা হয়। ড্রেসিং রুম প্রায় আগের অবস্থাতেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি জাপানি সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সোফিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কোইচি নাকানো বলেছেন, জাপানের স্কুলগুলোতে ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের নিজেদের ব্যবহৃত স্থান পরিষ্কার রাখার শিক্ষা দেওয়া হয়। সেই অভ্যাসই আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরেও দেখা যায়।

শুধু দল নয়, জাপানি সমর্থকরাও একই উদাহরণ স্থাপন করেছেন। ম্যাচ শেষে অনেক দর্শক গ্যালারিতে পড়ে থাকা বোতল, কাপ ও খাবারের মোড়ক সংগ্রহ করেন। বিশ্বকাপ কাভার করতে আসা কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ও অতিথিও তাদের সঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেন।

বিশ্বকাপে জাপানের এই আচরণ নতুন নয়। ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও ড্রেসিং রুম ও গ্যালারি পরিষ্কার করার জন্য দেশটি আন্তর্জাতিক প্রশংসা পেয়েছিল। ২০২৬ আসরেও সেই ঐতিহ্য বজায় রেখে জাপান আবারও মাঠের বাইরের ইতিবাচক বার্তার জন্য আলোচনায় এসেছে।

সূত্র: ফক্স ফোর নিউজ ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ