ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নয়, অবস্থানে অনড় সৌদি আরব
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হবে না বলে আবারও জানিয়েছে সৌদি আরব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সিএনএনকে দেওয়া এক বক্তব্যে সৌদি সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র রিয়াদের এই অবস্থান নিশ্চিত করেছে।
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হবে না বলে আবারও জানিয়েছে সৌদি আরব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সিএনএনকে দেওয়া এক বক্তব্যে সৌদি সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র রিয়াদের এই অবস্থান নিশ্চিত করেছে।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি সম্পন্ন হলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এ যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের ওপর আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে “বড় ও শক্তিশালী” হামলা চালানো হবে।
এর জবাবে সৌদি সূত্রটি জানায়, রিয়াদের নীতিগত অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের আগে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে দৃশ্যমান ও স্থায়ী প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।
‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ হলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও কয়েকটি আরব দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ চুক্তি। ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কোকেও এই চুক্তিতে যুক্ত করেন। তবে শুরু থেকেই সৌদি আরব ফিলিস্তিন ইস্যুকে প্রধান শর্ত হিসেবে ধরে রেখেছে।
এদিকে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, কয়েকজন আরব নেতা তাঁকে জানিয়েছেন— ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছায়, তাহলে তারা ইরানকেও ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর অংশ হিসেবে দেখতে আগ্রহী। যদিও সৌদি আরবের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট করেছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে রিয়াদ এখনো তাদের আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল আরাবিয়া ইংলিশ