স্তর পেঁচিয়ে কোয়ান্টাম আলো নিয়ন্ত্রণের নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার, বদলে যাবে প্রযুক্তির দুনিয়া
অতি পাতলা হেক্সাগোনাল বোরন নাইট্রাইডের স্তর পেঁচিয়ে কোয়ান্টাম আলোর উৎস নিয়ন্ত্রণের নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা। এই আবিষ্কার কোয়ান্টাম কম্পিউটার, নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা এবং অতি সংবেদনশীল সেন্সর তৈরির পথ সুগম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অতি পাতলা হেক্সাগোনাল বোরন নাইট্রাইডের স্তর পেঁচিয়ে কোয়ান্টাম আলোর উৎস নিয়ন্ত্রণের নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা। এই আবিষ্কার কোয়ান্টাম কম্পিউটার, নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা এবং অতি সংবেদনশীল সেন্সর তৈরির পথ সুগম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত ১৯ জুন বৃহস্পতিবার বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স অ্যাডভান্সেসে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে সিডনির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির দল এই ফলাফল জানিয়েছে। গবেষক দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ড. অ্যাঙ্গাস গেইল।
গবেষকেরা দেখেছেন, উপাদানের স্তরগুলো পেঁচালে কোয়ান্টাম নির্গতকারীর আলোর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে যায়। পূর্ববর্তী যেকোনো পদ্ধতির চেয়ে এই কৌশলে ১০০ মিলি-ইলেকট্রন ভোল্টেরও বেশি পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে।
ড. গেইল বলেছেন, এই পদ্ধতি কোয়ান্টাম প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে। স্বাস্থ্যসেবা, সাইবার নিরাপত্তা এবং জিপিএস প্রযুক্তিতে এর ব্যাপক প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
হেক্সাগোনাল বোরন নাইট্রাইড একটি দ্বি-মাত্রিক পদার্থ যার স্তরগুলো সহজেই আলাদা করা যায়। এর আগে হীরা বা সিলিকন কার্বাইডের মতো প্রচলিত পদার্থে এই ধরনের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব ছিল না। ২০২৫ সালে গ্রাফিনের মতো দ্বি-মাত্রিক পদার্থ নিয়ে গবেষণায় একাধিক অগ্রগতি হওয়ার পরই এই দলটি বোরন নাইট্রাইড নিয়ে কাজ শুরু করেন।
সূত্র: সায়েন্স ডেইলি, সায়েন্স অ্যাডভান্সেস