ইতিহাসের বৃহত্তম আইপিওতে নাসড্যাকে স্পেসএক্সের যাত্রা শুরু
ইলন মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স ইতিহাসের বৃহত্তম প্রাথমিক শেয়ার বিক্রয় (আইপিও) সম্পন্ন করে ১২ জুন নাসড্যাক শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু করেছে। কোম্পানিটির শেয়ার "এসপিসিএক্স" টিকার সিম্বলে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
ইলন মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স ইতিহাসের বৃহত্তম প্রাথমিক শেয়ার বিক্রয় (আইপিও) সম্পন্ন করে ১২ জুন নাসড্যাক শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু করেছে। কোম্পানিটির শেয়ার "এসপিসিএক্স" টিকার সিম্বলে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
আইপিওতে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৩৫ ডলার। তবে লেনদেনের প্রথম দিন বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই শেয়ারের দাম বেড়ে ১৫০ ডলারে পৌঁছে যায়, যা নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি।
এই আইপিওর মাধ্যমে স্পেসএক্সের বাজারমূল্য প্রায় ১ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি সৌদি আরামকোর ২০১৯ সালের আইপিওর রেকর্ড অতিক্রম করে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শেয়ারবাজারে অভিষেকের দাবি করেছে। কোম্পানিটি ৫৫ কোটির বেশি শেয়ার বিক্রি করে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে।
২০০২ সালে প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য নিজেদের মালিকানার অংশ উন্মুক্ত করল স্পেসএক্স। এবারের আইপিওতে মোট শেয়ারের প্রায় ৩০ শতাংশ খুচরা বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা বড় আকারের আইপিওগুলোর মধ্যে বিরল একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্পেসএক্সের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক বর্তমানে কোম্পানির সবচেয়ে লাভজনক বিভাগ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে এই খাত থেকে প্রতিষ্ঠানটির রাজস্ব ছিল ১ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। অন্যদিকে কোম্পানির ভোটিং নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ইলন মাস্ক প্রায় ৮৫ শতাংশ ভোটাধিকার সংরক্ষণ করেছেন।
বিশ্ব মহাকাশ শিল্পে স্পেসএক্সের প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারবাজারে আগমন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
সূত্র: রয়টার্স