ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ওপেনএআই ও এর জনপ্রিয় চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ—গত বছর ফ্লোরিডা স্টেট ইউনির্ভাসিটিতে (এফএসইউ) সংঘটিত গুলিবর্ষণ পরিকল্পনায় এই প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ওপেনএআই ও এর জনপ্রিয় চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ—গত বছর ফ্লোরিডা স্টেট ইউনির্ভাসিটিতে (এফএসইউ) সংঘটিত গুলিবর্ষণ পরিকল্পনায় এই প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমেয়ার বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় এ তদন্তের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বড় প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হলেও জননিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।
২০২৫ সালের এপ্রিলের ওই হামলায় দুইজন নিহত হন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফিনিক্স ইকনারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, হামলার আগে তার সঙ্গে চ্যাটজিপিটির ২০০টিরও বেশি বার্তা আদান-প্রদান হয়েছিল। সেখানে আত্মহত্যা, গণহামলা এবং আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন ছিল। এমনকি “এফএসইউতে গুলিবর্ষণ হলে দেশের প্রতিক্রিয়া কী হবে” কিংবা “স্টুডেন্ট ইউনিয়নে কখন সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে”—এ ধরনের প্রশ্নও করা হয়।
ওপেনএআই এক বিবৃতিতে জানায়, তারা তদন্তে সহযোগিতা করবে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে সাড়া দিতে চ্যাটজিপিটি তৈরি করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করতে কাজ চলমান। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ৯০ কোটির বেশি মানুষ এই সেবা ব্যবহার করছে বলেও জানায় তারা।
এদিকে নিহতদের পরিবারের আইনজীবী রায়ন হবস দাবি করেছেন, হামলাকারী চ্যাটজিপিটির কাছ থেকে সহায়তা পেয়েছিল—এমন প্রমাণ তারা পেয়েছেন এবং এ বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চান।
তদন্তের অংশ হিসেবে শিগগিরই সমন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, নতুন প্রযুক্তি যেন মানুষের উন্নয়নে সহায়ক হয়, ঝুঁকির কারণ না হয়ে ওঠে।
তথ্যসূত্র: এনসিবি নিউজ