ডোরিস মিলারের নাম সরিয়ে রণতরী ট্রাম্পের নামে করার আলোচনা, হতাশ নর্থ টেক্সাসের পরিবার
ডোরিস মিলারের নামে রাখার ঘোষণা দেওয়া মার্কিন নৌবাহিনীর ভবিষ্যৎ বিমানবাহী রণতরী সিভিএন-৮১ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নামে নামকরণের আলোচনা চলছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানা গেছে। এই খবরে হতাশ হয়েছেন নর্থ টেক্সাসে বসবাসরত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই বীর নাবিকের স্বজনরা।
ডোরিস মিলারের নামে রাখার ঘোষণা দেওয়া মার্কিন নৌবাহিনীর ভবিষ্যৎ বিমানবাহী রণতরী সিভিএন-৮১ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নামে নামকরণের আলোচনা চলছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানা গেছে। এই খবরে হতাশ হয়েছেন নর্থ টেক্সাসে বসবাসরত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই বীর নাবিকের স্বজনরা।
এনবিসি ফাইভকে মিলারের ভাগনি শেরি মিলার বলেন, তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হচ্ছে জেনে আমরা সবাই আনন্দিত হয়েছিলাম, তাই এখন শুনছি নৌবাহিনী হয়তো কথা রাখবে না, এটা সত্যিই হতাশার। মিলারের প্রপভাগনে থমাস ব্লেডসো-ও নর্থ টেক্সাসে বাস করেন। নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই মুহূর্তে ঘোষণা করার মতো কিছু নেই।
২০২০ সালে নৌবাহিনী ঘোষণা দেয় যে ভবিষ্যৎ জেরাল্ড আর ফোর্ড-শ্রেণির বিমানবাহী রণতরী সিভিএন-৮১-এর নাম হবে ইউএসএস ডোরিস মিলার। এটি হবে কোনো কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানের নামে রাখা প্রথম বিমানবাহী রণতরী এবং নাবিক পদমর্যাদায় সেবারত থাকাকালে বীরত্বের জন্য কোনো তালিকাভুক্ত নাবিকের নামে রাখা প্রথম রণতরী।
টেক্সাসের ওয়েকোতে বড় হওয়া মিলার ইউএসএস ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় কর্মরত ছিলেন। ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে জাপানের হামলার সময় তিনি কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিমানবিধ্বংসী কামান চালিয়ে জাপানি বিমান প্রতিহত করেন এবং আহত নাবিকদের সাহায্য করেন। কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান নাবিকদের মধ্যে প্রথম হিসেবে তিনি নেভি ক্রস পদক পান।
পরিবার দশকের পর দশক ধরে মিলারের নেভি ক্রসকে মেডেল অব অনারে উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছে। ব্লেডসো বলেন, নাম বদলালে হয়তো পরে মিলারের নামে আরেকটি জাহাজ হবে, তবে আরেক প্রজন্ম কেটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ১৯৪৩ সালে ইউএসএস লিসকম বে টর্পেডোর আঘাতে ডুবে গেলে মিলার নিহত হন।
সূত্র: এনবিসি ডিএফডব্লিউ