আইফোন নিয়ে বিরোধে কুমিল্লায় ১৩ বছরের কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছরের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে মায়ের আইফোন ছিনিয়ে নিয়ে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছরের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে মায়ের আইফোন ছিনিয়ে নিয়ে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গত ২১ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম আবিদা সুলতানা মলির আদালতে তুহিনসহ তিনজন জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তারা অপ্রতিমকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি গন্ধমতী এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। আইফোনটি দিতে রাজি না হওয়ায় তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় এবং আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পর তাকে বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়।
নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর পরদিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ, পরিবারের সদস্য ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে তাকে খুঁজে পান।
অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার মা নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার একজন ব্যবসায়ী।
সূত্র: আজকের পত্রিকা