বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট চরমে
বাংলাদেশের ৬৫ হাজার ৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬ হাজার ২৩৫টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, যা মোটের অর্ধেকেরও বেশি। একই সঙ্গে সহকারী শিক্ষকের হাজার হাজার পদও খালি থাকায় নিয়মিত পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বাংলাদেশের ৬৫ হাজার ৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬ হাজার ২৩৫টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, যা মোটের অর্ধেকেরও বেশি। একই সঙ্গে সহকারী শিক্ষকের হাজার হাজার পদও খালি থাকায় নিয়মিত পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শিক্ষামন্ত্রী এনএম এহসানুল হক মিলন সম্প্রতি এই শূন্য পদের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রধান শিক্ষক নিয়োগে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা গত ২ জুলাই আপিল বিভাগের রায়ে কাটিয়ে ওঠা গেছে এবং শিগগিরই পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচটি অনুমোদিত পদের বিপরীতে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে মাত্র একজন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চলছে। প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোমিন একাই ৭০ জন শিক্ষার্থী পড়াচ্ছেন ও প্রশাসনিক কাজ সামলাচ্ছেন। কুমিল্লা সদরের নর্থ রাসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় এক দশক ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, সহকারী শিক্ষক সংকট এখন অনেকটাই কমেছে এবং নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষক প্রশিক্ষণ শেষে যোগদান করবেন। রাষ্ট্রমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আরও মাত্র দুই হাজার শিক্ষক প্রয়োজন।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সোনারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয়টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে চারজন শিক্ষক কর্মরত এবং প্রতিদিন প্রায় তিনটি ক্লাস বাতিল হচ্ছে। ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা সংক্রান্ত একটি রিটের কারণে ২০১৭ সাল থেকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ জটিলতায় পড়েছিল বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার