ফিফা বিশ্বকাপে আর্লিংটনের ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে আর্লিংটনে ডালাস স্টেডিয়ামের আশেপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ফুটবল ভক্তরা স্থানীয় ব্যবসায় বাড়তি আয় এনে দিচ্ছেন।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে আর্লিংটনে ডালাস স্টেডিয়ামের আশেপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ফুটবল ভক্তরা এই এলাকায় কেনাকাটা ও সেবা গ্রহণ করছেন, যা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুযোগ হয়ে উঠেছে।
স্টেডিয়ামের ঠিক পাশেই একটি সুপারশপ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিশ্বকাপ ম্যাচের দিনগুলোকে ডালাস কাউবয়জ খেলার দিনের চেয়েও বড় আয়োজন হিসেবে সামলাচ্ছেন। তারা অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ দিয়েছেন এবং পণ্যের মজুত বাড়িয়েছেন। ক্রোয়েশিয়া, জাপান ও নেদারল্যান্ডস থেকে আসা সমর্থকরা এলাকার বিভিন্ন দোকানে কেনাকাটা করছেন।
ডাউনটাউন আর্লিংটনের একটি বিউটি স্টুডিওর মালিক বলেছেন, বিশ্বকাপ তার এলাকায় নতুন মুখ নিয়ে এসেছে। বিভিন্ন দেশের সমর্থকরা তার ব্যবসায় আসছেন এবং পুরো আর্লিংটন শহরের পরিচিতি বাড়ছে। ব্যবসায়িক সংগঠনগুলো আগেই এই মৌসুমের জন্য প্রস্তুতিমূলক সেমিনার আয়োজন করেছিল।
ডালাস স্টেডিয়ামে এই বিশ্বকাপে মোট নয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসহ একাধিক শীর্ষ দল এখানে খেলছে। বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন, এই গ্রীষ্মে পুরো অঞ্চলে প্রায় ৩৮ লক্ষ দর্শনার্থী আসবেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রায় ২১০ কোটি ডলারের প্রভাব ফেলবে।
আর্লিংটন শহর দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়া পর্যটনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ডালাস কাউবয়জের স্টেডিয়াম এবার বিশ্বকাপ আয়োজনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরেও এই ইতিবাচক প্রভাব অব্যাহত থাকবে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন।
সূত্র: এনবিসি ফাইভ ডিএফডব্লিউ