ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো প্রতিহত করতে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো প্রতিহত করতে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এ হামলার ঘটনা ঘটল। এর আগে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি হামলার জবাবে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানি কর্মকর্তারা।
সোমবার বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে প্রাণঘাতী হামলার কয়েক ঘণ্টা পর ইসরায়েলে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ থাকার কথা জানিয়েছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পর উত্তর ইসরায়েলের হাইফা এবং আশপাশের এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ওই ঘাঁটিকে দক্ষিণ লেবানন ও বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে চালানো ইসরায়েলি হামলার ‘উৎস’ বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, প্রথম দফায় নিক্ষেপ করা সব ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে পরে আরও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনাও শনাক্ত করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে।
নতুন এ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় লিখেছেন, “আজ রাতে তেহরানকে অবশ্যই পুড়তে হবে।”
তাৎক্ষণিকভাবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী।
তথ্যসূত্র: বিবিসি, আনাদোলু