জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে শনাক্ত হলো নতুন মহাজাগতিক বস্তু ব্ল্যাক হোল স্টার, প্রকাশিত নেচারে
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো একটি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের মহাজাগতিক বস্তু আবিষ্কার করেছেন, যাকে তারা ব্ল্যাক হোল স্টার নামে অভিহিত করছেন। এটি একটি বিশাল ব্ল্যাক হোল এবং একটি ঘন হাইড্রোজেনের আবরণের সমন্বয়ে গঠিত, যা দেখতে আমাদের সৌরজগতের আকারের একটি নক্ষত্রের মতো।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো একটি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের মহাজাগতিক বস্তু আবিষ্কার করেছেন, যাকে তারা ব্ল্যাক হোল স্টার নামে অভিহিত করছেন। এটি একটি বিশাল ব্ল্যাক হোল এবং একটি ঘন হাইড্রোজেনের আবরণের সমন্বয়ে গঠিত, যা দেখতে আমাদের সৌরজগতের আকারের একটি নক্ষত্রের মতো।
গত ১২ আগস্ট বুধবার এই গবেষণা বিজ্ঞান সাময়িকী নেচারে প্রকাশিত হয়েছে। নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এমআইটির কাভলি ইনস্টিটিউট ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের রোহান নাইডুর নেতৃত্বে একটি মার্কিন গবেষক দল এই বস্তুটি শনাক্ত করেছে।
আবিষ্কৃত বস্তুটির নাম দেওয়া হয়েছে মোম-বিএইচ-ওয়ান। এর কেন্দ্রে থাকা ব্ল্যাক হোলটির ভর সূর্যের প্রায় এক লাখ গুণ এবং এটি যেকোনো পরিচিত নক্ষত্রের চেয়ে ১০ হাজার কোটি গুণ বেশি শক্তি উৎপন্ন করে। বস্তুটি মহাবিস্ফোরণের মাত্র ৬৬ কোটি বছর পরের প্রাথমিক মহাবিশ্বে অবস্থিত।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই আবিষ্কার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে বছরের পর বছর ধরে দেখা রহস্যময় লিটল রেড ডটসের পরিচয় ব্যাখ্যা করতে পারে। রোহান নাইডু বলেছেন, ব্ল্যাক হোল স্টারই হয়তো ওই সমস্ত উজ্জ্বল বস্তুর শক্তির উৎস।
নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ২০২২ সালে চালু হওয়ার পর থেকে মহাবিশ্বের গভীর অংশে বহু উজ্জ্বল লাল বিন্দু শনাক্ত হয়েছে, যেগুলো বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্ত করে আসছিল। গবেষক দলের মতে, ব্ল্যাক হোল স্টার বিশাল ব্ল্যাক হোল গঠনের একটি সাধারণ পথ হতে পারে।
সূত্র: এমআইটি নিউজ