হিউস্টনে জুন মাসে আইসিই অভিযানে ১,৩৬১ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার, ছিলেন বিমান ছিনতাইকারীও

মার্কিন ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি জুন মাসে হিউস্টন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ১,৩৬১ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে, যাঁদের সবার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে বা দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রেকর্ড আছে। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

Jun 25, 2026 - 08:12
হিউস্টনে জুন মাসে আইসিই অভিযানে ১,৩৬১ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার, ছিলেন বিমান ছিনতাইকারীও
উইকিমিডিয়া কমন্স: U.S. Immigration and Customs Enforcement

মার্কিন ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি জুন মাসে হিউস্টন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ১,৩৬১ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে, যাঁদের সবার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে বা দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রেকর্ড আছে। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইসিইর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৩২ জনকে শিশু যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, ৯ জনের হত্যাসংক্রান্ত মামলার রেকর্ড রয়েছে এবং ১৬ জন নথিভুক্ত আন্তর্জাতিক গ্যাং বা মাদক কার্টেলের সদস্য।

এ ছাড়া একজন অভিবাসী কিউবা থেকে ফ্লোরিডার কি ওয়েস্টগামী একটি বিমান ছিনতাইয়ের অপরাধে আগেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন বলে আইসিই জানিয়েছে। অন্যান্য অপরাধের মধ্যে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন, হেরোইন পাচার ও মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে আইসিই সারা দেশে ১০ হাজারের বেশি গ্যাং সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বলে ডিএইচএস দাবি করেছে। বর্তমানে সারা দেশে ডিটেনশন কেন্দ্রে ৭৩,০০০ জনকে আটকে রাখা হয়েছে, যা রেকর্ড সংখ্যা।

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির আওতায় আইসিই গ্রেপ্তারের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে এবং সীমান্ত পারাপারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। হিউস্টনে ৩৯টি রাজ্য ও দুটি মার্কিন অঞ্চলের আইন প্রয়োগ সংস্থার সঙ্গে ২৮৭(জি) চুক্তির আওতায় স্থানীয় পুলিশ ফেডারেল অভিবাসন আইন প্রয়োগে সহায়তা করছে।

সূত্র: আইসিই / ডিএইচএস