ফ্লক ক্যামেরার অপব্যবহার, সাবেক সঙ্গীদের অনুসরণ করেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা
অপরাধী ও চুরি যাওয়া গাড়ি শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বসানো ফ্লক ক্যামেরার অপব্যবহারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। ক্যামেরাগুলো গাড়ির নম্বরপ্লেট, রং, ধরন, সময় ও অবস্থানের তথ্য সংগ্রহ করে।
অপরাধী ও চুরি যাওয়া গাড়ি শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বসানো ফ্লক ক্যামেরার অপব্যবহারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। ক্যামেরাগুলো গাড়ির নম্বরপ্লেট, রং, ধরন, সময় ও অবস্থানের তথ্য সংগ্রহ করে।
সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তারা অপরাধের তদন্তের বদলে নিজেদের সঙ্গী, সাবেক প্রেমিকা, সাবেক স্ত্রী ও পরিচিতদের গতিবিধি জানতে এই তথ্য ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এক কর্মকর্তা তাঁর বাগদত্তা সাবেক প্রেমিকের বাড়িতে গিয়েছেন কি না, তা জানতে ক্যামেরার তথ্য ব্যবহার করেছিলেন। আরেক সাবেক পুলিশপ্রধান তাঁর সাবেক প্রেমিকা ও তাঁর নতুন সঙ্গীকে কয়েক মাসে দুই শতাধিকবার খুঁজেছিলেন।
ইনস্টিটিউট ফর জাস্টিসের পর্যালোচনায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন অন্তত ২৬টি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে কয়েকজন কর্মকর্তা চাকরি হারিয়েছেন, পদত্যাগ করেছেন বা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
ফ্লক সেফটি বলেছে, তাদের ব্যবস্থায় মুখ শনাক্ত করার প্রযুক্তি নেই এবং কে কখন তথ্য খুঁজছেন, তার রেকর্ড রাখা হয়। তবে নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকলে এই প্রযুক্তি ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সূত্র: সিএনএন ও ইনস্টিটিউট ফর জাস্টিস