ভিসা নিষেধাজ্ঞা উঠলেও হাজারো অভিবাসী এখনো আটকে বিদেশে
যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও ধীরগতির প্রক্রিয়া ও নতুন পাবলিক চার্জ স্ক্রিনিংয়ের কারণে হাজারো পরিবার এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে। আইনজীবীরা বলছেন, কার্যত নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও ধীরগতির প্রক্রিয়া ও নতুন পাবলিক চার্জ স্ক্রিনিংয়ের কারণে হাজারো পরিবার এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে। আইনজীবীরা বলছেন, কার্যত নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল।
গত আগস্টে একজন ফেডারেল বিচারক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। এনপিআর জানিয়েছে, এই জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসন ৭৫ দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। ক্যাটো ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞায় দুই লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি অভিবাসী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
স্টেট ডিপার্টমেন্ট আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ভিসা প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে পাবলিক চার্জ শনাক্তকরণে নতুন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এর ফলে ইতোমধ্যে অনুমোদিত ভিসাধারীদেরও অতিরিক্ত স্ক্রিনিংয়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য ডাস্টিন হফম্যান জানান, তার স্ত্রী ও সন্তানেরা আর্জেন্টিনায় আটকে আছেন। তার স্ত্রী কলম্বিয়ার নাগরিক, যা নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত দেশ। আমেরিকান ইমিগ্রেশন লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত সভাপতি অ্যালেক্সিস অ্যাক্সেলরাড বলেন, প্রযুক্তিগতভাবে নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও বাস্তবে মানুষ গ্রিন কার্ড সাক্ষাৎকার বা ভিসা স্ট্যাম্প পাচ্ছেন না।
কলম্বিয়ার গবেষক ড. ফার্নান্দো লিজকানো ইবি-ওয়ানএ ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন, যা অসাধারণ দক্ষতাসম্পন্ন অভিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত। ইউএসসিআইএস তাকে যোগ্য ঘোষণা করলেও তিনি এখনো কলম্বিয়ায় স্টেট ডিপার্টমেন্টের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন। ক্যাটো ইনস্টিটিউট এই নিষেধাজ্ঞাকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে চরম বৈধ অভিবাসন নীতিগুলোর একটি বলে অভিহিত করেছে।
সূত্র: এনপিআর