জ্যামাইকায় পৌঁছাল তৃতীয় দেশে নির্বাসিত ২২ অভিবাসীকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ফ্লাইট
যুক্তরাষ্ট্র ও জ্যামাইকার মধ্যে স্বাক্ষরিত বিতর্কিত চুক্তির আওতায় তৃতীয় দেশে নির্বাসিত ২২ জন অভিবাসীকে নিয়ে প্রথম ফ্লাইটটি মঙ্গলবার বিকেলে জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টনের নর্ম্যান ম্যানলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। সাতজন নারীসহ সবাই প্রাপ্তবয়স্ক এবং অধিকাংশই দক্ষিণ আমেরিকার নাগরিক বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও জ্যামাইকার মধ্যে স্বাক্ষরিত বিতর্কিত চুক্তির আওতায় তৃতীয় দেশে নির্বাসিত ২২ জন অভিবাসীকে নিয়ে প্রথম ফ্লাইটটি মঙ্গলবার বিকেলে জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টনের নর্ম্যান ম্যানলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। সাতজন নারীসহ সবাই প্রাপ্তবয়স্ক এবং অধিকাংশই দক্ষিণ আমেরিকার নাগরিক বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
এনবিসি নিউজ জানায়, যাত্রীদের পুলিশি প্রহরায় বাস করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এই চুক্তি চলতি বছরের জুন মাসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং আইএলও ও আইওএম-এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, জ্যামাইকায় প্রতি পনেরো দিনে সর্বোচ্চ ২৫ জন অভিবাসী আনা যাবে।
জ্যামাইকার জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, অভিবাসীদের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও আইনসম্মতভাবে ট্রানজিট করা হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামিনা জনসন স্মিথ বলেছেন, চুক্তিটি জ্যামাইকার স্বার্থ রক্ষা করে আলোচনা করা হয়েছে এবং এতে কোনো ক্ষতিকর বিষয় নেই।
তবে বিরোধীদলীয় নেতা মার্ক গোল্ডিং চুক্তির বিস্তারিত তথ্য সংসদে উপস্থাপন না করার সমালোচনা করেছেন। বিরোধী নিরাপত্তা মুখপাত্র ফিটজ জ্যাকসন বলেছেন, নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গোপন চুক্তির উপর আস্থা রাখতে বলা হচ্ছে। স্থানীয় ধর্মীয় নেতারাও চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে লাইবেরিয়া, ইসওয়াতিনি ও প্যারাগুয়েসহ ৩০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে এ ধরনের তৃতীয় দেশ নির্বাসন চুক্তি করেছে। এই চুক্তিগুলোর বৈধতা নিয়ে মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে এবং আদালত ডিসেম্বরে পূর্ণ শুনানির জন্য মামলাটি গ্রহণ করেছেন।
সূত্র: এনবিসি নিউজ