টঙ্গীর শিশু নির্যাতন মামলায় মাদ্রাসা সহকারী অধ্যক্ষের জামিন নাকচ
টঙ্গীর একটি মাদ্রাসার সহকারী অধ্যক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন গাজীপুরের একটি আদালত। সাত বছরের এক প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত আলামত থাকায় বিচারক জামিন দেননি।
টঙ্গীর একটি মাদ্রাসার সহকারী অধ্যক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন গাজীপুরের একটি আদালত। সাত বছরের এক প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত আলামত থাকায় বিচারক জামিন দেননি।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক ওমর হায়দার গত ২৫ অক্টোবর রোববার দুই পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন জামিনের বিরোধিতা করে এই তথ্য জানিয়েছেন।
আদালত জামিন শুনানি শুরুর আগে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় নেওয়া শিশুটির জবানবন্দি পর্যালোচনার জন্য শুনানি এক ঘণ্টা মুলতবি করেছিল। পরে শিশুর জবানবন্দি ও পরিস্থিতিগত সাক্ষ্য বিবেচনা করে বিচারক আসামি মুসলেম আহমেদের জামিন আবেদন খারিজ করেন। বাদীপক্ষ যুক্তি দেখায়, জামিনে মুক্তি দিলে তদন্ত ব্যাহত হতে পারে এবং সমাজে নেতিবাচক বার্তা যাবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইসরাইল হাওলাদার জানিয়েছেন, একটি পক্ষ এই মামলা এবং শিশুটির বাবার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। শিশুর বাবাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযানের খবরও সঠিক নয় বলে তিনি সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জানান। তিনি বলেন, উভয় মামলাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ অক্টোবর মাদ্রাসার নিচতলার সিঁড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পরে শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে অনীহা প্রকাশ করে এবং বাবা-মাকে পুরো ঘটনা জানায়। ২১ অক্টোবর শিশুর স্বজনরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করলে স্থানীয় লোকজন তাকে মারধর করে, যা ফেসবুকে ভাইরাল হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ২২ অক্টোবর শিশুর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড