ঢাকার কাছে একের পর এক বিস্ফোরক উদ্ধার, জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র সন্দেহ

ঢাকার কাছে মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশন ও সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে একের পর এক বিস্ফোরক উদ্ধারের পর বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠন পুনরায় সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘটনাগুলোর ধরন একই রকম এবং এটি পুরনো জঙ্গি নেটওয়ার্কের পুনর্জাগরণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

Aug 18, 2026 - 19:06
ঢাকার কাছে একের পর এক বিস্ফোরক উদ্ধার, জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র সন্দেহ
উইকিমিডিয়া কমন্স: Wasiul Bahar

ঢাকার কাছে মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশন ও সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে একের পর এক বিস্ফোরক উদ্ধারের পর বাংলাদেশে জঙ্গি সংগঠন পুনরায় সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘটনাগুলোর ধরন একই রকম এবং এটি পুরনো জঙ্গি নেটওয়ার্কের পুনর্জাগরণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

বিডি ডাইজেস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ জুলাই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনে ছাতার ভেতরে লুকানো একটি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। ডিভাইসটিতে ব্যাটারি, ইলেকট্রনিক সার্কিট ও প্রায় দেড় কেজি সালফার ছিল। একই সপ্তাহে আশুলিয়ায় একটি প্রেশার কুকার বোমা পাওয়া যায়।

এরপর ১ আগস্ট মিরপুর ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে আরও দুটি সন্দেহজনক বস্তু শনাক্ত করা হয়। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকগুলোতে বেয়ারিং বল, স্প্লিন্টার ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া গেছে। তদন্তকারীরা এগুলোকে জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ ও হরকাতুল জিহাদের মতো নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সাথে সংযুক্ত বলে সন্দেহ করছেন।

কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের প্রধান মোহাম্মদ শামসুল হক বলেছেন, দেশে জঙ্গিবাদ বৃদ্ধির কোনো আলামত নেই। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, পরপর কয়েকটি ঘটনা গভীর তদন্তের দাবি রাখে।

২০১৬ সালের গুলশান হামলার পর বাংলাদেশে কঠোর জঙ্গিবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে জেএমবিসহ বিভিন্ন সংগঠনকে দমন করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনাগুলো সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নতুন সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।

সূত্র: বিডি ডাইজেস্ট