গাজার পর লেবাননেও ইসরায়েলের ‘ইয়েলো লাইন’

গাজা উপত্যকার পর এবার দক্ষিণ লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ নির্ধারণ করেছে করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। গাজায় হামাস-নিয়ন্ত্রিত এলাকার সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সীমানা নির্ধারণে যে ধরনের রেখা ব্যবহার করা হয়, তেমনই একটি বিভাজন রেখা এই ‘ইয়েলো লাইন’।

Apr 18, 2026 - 21:01
গাজার পর লেবাননেও ইসরায়েলের ‘ইয়েলো লাইন’
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এই প্রথম লেবাননে এ ধরনের কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানালো ইসরায়েল। ছবি: রয়টার্সের সৌজন্যে

গাজা উপত্যকার পর এবার দক্ষিণ লেবাননেও ‘ইয়েলো লাইন’ নির্ধারণ করেছে করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। গাজায় হামাস-নিয়ন্ত্রিত এলাকার সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর সীমানা নির্ধারণে যে ধরনের রেখা ব্যবহার করা হয়, তেমনই একটি বিভাজন রেখা এই ‘ইয়েলো লাইন’।

ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, নির্ধারিত এই সীমারেখা অতিক্রম করে তাদের সেনাদের দিকে এগিয়ে আসায় সন্দেহভাজন হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ লেবাননে ‘ইয়েলো লাইনের’ দক্ষিণে অবস্থানরত সেনারা কয়েকজন ‘সন্ত্রাসীকে’ শনাক্ত করে। তারা যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙে উত্তর দিক থেকে এমনভাবে অগ্রসর হচ্ছিল, যা তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করেছিল।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘হুমকি নির্মূল করতে’ দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দিলে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এই প্রথম লেবাননে এ ধরনের কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানালো ইসরায়েল।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতির পর পুরো অঞ্চলটি একটি ‘ইয়েলো লাইন’ দ্বারা কার্যত দুই সামরিক জোনে বিভক্ত হয়ে পড়ে—এক অংশ ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে এবং অন্য অংশ হামাস-এর অধীনে। বিশ্লেষকদের মতে, একই কৌশল এবার লেবাননেও প্রয়োগ করছে ইসরায়েল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা