ইরানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র, হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার জবাবে
হরমুজ প্রণালীতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ড্রোন হামলার জবাবে ইরানের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। শুক্রবার মার্কিন যুদ্ধবিমান হরমুজ প্রণালী এবং ইরানের কেশম দ্বীপে মোট চারটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এর মধ্যে ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনা।
হরমুজ প্রণালীতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ড্রোন হামলার জবাবে ইরানের একাধিক সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। শুক্রবার মার্কিন যুদ্ধবিমান হরমুজ প্রণালী এবং ইরানের কেশম দ্বীপে মোট চারটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এর মধ্যে ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনা।
বৃহস্পতিবার ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে চলাচলরত জাহাজগুলোতে কমপক্ষে চারটি আত্মঘাতী ড্রোন নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে একটি সিঙ্গাপুরভুক্ত এম/ভি এভার লাভলি জাহাজের উপরের ডেকে আঘাত হানে। জাহাজটির ব্রিজের জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাকি তিনটি ড্রোন মার্কিন বাহিনী ভূপাতিত করে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই হামলাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বোকামিপূর্ণ লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন। গত সপ্তাহে দুই দেশ যুদ্ধবিরতি নবায়ন করার পর এটিই প্রথম মার্কিন সামরিক আক্রমণ। ট্রাম্প জানান, ইরানের এই ধরনের কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না।
গত ১৫ জুন ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ওই চুক্তি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ৬০ দিনের আলোচনা শুরু করার কথা ছিল। সর্বশেষ ড্রোন হামলা ওই চুক্তির পর প্রণালীতে প্রথম এ ধরনের ঘটনা।
মার্কিন হামলায় ছয়টি স্থলভিত্তিক যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। ওয়াশিংটন, তেহরান, ইসরায়েল এবং লেবানন এই মুহূর্তে একটি জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।