চার্লি কার্ক হত্যা মামলায় নতুন তথ্য, ‘গুলি করার পরই অনুতপ্ত ছিলেন অভিযুক্ত’
যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্ক হত্যা মামলার শুনানিতে অভিযুক্তের সাবেক রুমমেট বলেছেন, গুলি করার পর অভিযুক্ত অনুতপ্ত ছিলেন এবং আত্মসমর্পণের কথাও বলেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্ক হত্যা মামলার শুনানিতে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। আদালতে উপস্থাপিত একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে অভিযুক্ত টাইলার রবিনসনের সাবেক রুমমেট ল্যান্স টুইগস বলেছেন, গুলি করার পরদিন রবিনসন তাকে বলেছিলেন যে তিনি নিজের কাজের জন্য অনুতপ্ত এবং এটি না করলেই ভালো হতো।
টুইগসের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর রবিনসন ভেঙে পড়েছিলেন। তিনি নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলতে অথবা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছিলেন। পরে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণও করেন। টুইগসের এই বক্তব্য আদালতে ভিডিও আকারে উপস্থাপন করা হয়। তাকে এই মামলায় তদন্তে সহযোগিতার বিনিময়ে সীমিত আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।
প্রসিকিউটররা আদালতে আরও কিছু প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। তাদের দাবি, ঘটনার আগে রবিনসন গুলির খোসায় বিভিন্ন লেখা খোদাই করেছিলেন। এছাড়া একটি নোট, টেক্সট মেসেজ এবং ডিসকর্ডে পাঠানো বার্তায় তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্তের আইনজীবীরা এসব প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, কিছু সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত তথ্য বিচারকে প্রভাবিত করতে পারে। আদালত তাই কিছু প্রমাণ প্রকাশের অনুমতি দিলেও অন্য কিছু অংশ গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
টাইলার রবিনসনের বিরুদ্ধে গুরুতর হত্যাসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি এখনো কোনো দোষ স্বীকার বা অস্বীকার করেননি। আদালত শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবেন, মামলাটি পূর্ণাঙ্গ বিচারের জন্য এগিয়ে যাবে কি না। প্রসিকিউটররা এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডের আবেদনও করছেন।
সূত্র: এনবিসি নিউজ, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, রয়টার্স | ৯ জুলাই, ২০২৬