কাতারের এলএনজি সরবরাহ অর্ধেক, বিকল্প খুঁজছে বাংলাদেশ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন-ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের জেরে কাতারএনার্জি এ বছর বাংলাদেশে নির্ধারিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ অর্ধেকে কমিয়ে এনেছে।

Jul 7, 2026 - 08:08
কাতারের এলএনজি সরবরাহ অর্ধেক, বিকল্প খুঁজছে বাংলাদেশ
উইকিমিডিয়া কমন্স: EgorovaSvetlana

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন-ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের জেরে কাতারএনার্জি এ বছর বাংলাদেশে নির্ধারিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ অর্ধেকে কমিয়ে এনেছে।

পেট্রোবাংলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান সোমবার রয়টার্সকে জানান, সমস্যাগুলো সবই যুদ্ধ থেকে উদ্ভূত। গত ৭ জুলাই সোমবার তিনি বলেন, ঘাটতি পূরণে স্পট মার্কেট থেকে বেশি কেনা এবং সরকারি পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে বিকল্প সরবরাহকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

কাতার বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী দেশ এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী। গত বছর বাংলাদেশের মোট ৭০ লাখ টন এলএনজি আমদানির মধ্যে প্রায় ৪১ লাখ ৫০ হাজার টনই ছিল কাতার থেকে।

জ্বালানি বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ক্লেপারের তথ্যানুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার থেকে ১৯টি কার্গো পেয়েছিল। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কাতারের রাস লাফান রপ্তানি টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশে কোনো কার্গো পৌঁছায়নি।

বিশ্বের মোট এলএনজি সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। পেট্রোবাংলার কাতারের সঙ্গে দুটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে, একটি বার্ষিক ২৫ লাখ টন ও অন্যটি ১৮ লাখ টনের।

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার