এক হ্যালান্ডেই বদলে গেছে নরওয়ের ফুটবলের গল্প
ইংল্যান্ডে এসে গোল করার সহজাত প্রতিভা আর খিটখিটে স্বভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন আর্লিং হ্যালান্ড। চার মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলে সেই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার এখন ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ে রূপান্তরিত হয়েছেন। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সাত গোল করে তিনি লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে গোল্ডেন বুটের শীর্ষে রয়েছেন।
ইংল্যান্ডে এসে গোল করার সহজাত প্রতিভা আর খিটখিটে স্বভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন আর্লিং হ্যালান্ড। চার মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলে সেই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার এখন ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ে রূপান্তরিত হয়েছেন। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সাত গোল করে তিনি লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে গোল্ডেন বুটের শীর্ষে রয়েছেন।
দ্য অ্যাথলেটিকের এক প্রতিবেদনে হ্যালান্ডের এই পরিবর্তনের বিস্তারিত বিবরণ উঠে এসেছে। নরওয়ের ব্রাইনি একাডেমি থেকে মোলদে, রেড বুল সালৎসবুর্গ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড হয়ে ম্যানচেস্টার সিটিতে আসেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগে প্রথম মৌসুমেই রেকর্ড ৩৬ গোল করেন এবং চার মৌসুমে তিনবার গোল্ডেন বুট জেতেন।
প্রাক্তন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার ইয়ান ওগে ফিয়োরটফট বলেছেন, তরুণ হ্যালান্ড গোলের অসাধারণ ঘ্রাণশক্তির অধিকারী ছিলেন। কিন্তু গত সাত-আট বছরে তাঁর হেডিং, বল ধরে রাখা এবং দুই পায়ের দক্ষতা ক্রমাগত উন্নত হয়েছে। ২৫ বছর বয়সে তিনি এখন একজন সম্পূর্ণ খেলোয়াড়।
বিশ্বকাপে হ্যালান্ডের পারফরম্যান্স অসাধারণ। ইরাক ও সেনেগালের বিপক্ষে ব্রেস, আইভরি কোস্টের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের গোল এবং ব্রাজিলের বিপক্ষে দুই গোলে নরওয়েকে ইতিহাসে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে গেছেন তিনি। বাছাইপর্বে আট ম্যাচে ১৬ গোল করে রবার্ট লেভানডভস্কির ইউরোপীয় রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন।
হ্যালান্ড ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের লিডসে জন্মগ্রহণ করেন, যখন তাঁর বাবা আলফি হ্যালান্ড প্রিমিয়ার লিগে খেলতেন। ১৯৯৮ সালের পর নরওয়ের প্রথম বিশ্বকাপ দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। শনিবার মায়ামিতে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবেন হ্যালান্ড, যে দেশ তাঁকে তৈরি করেছে, সেই দেশের বিপক্ষেই।
সূত্র: দ্য অ্যাথলেটিক