ডালাসে ৬০০টির বেশি লাইসেন্স প্লেট ক্যামেরা, নিরাপত্তা নাকি নজরদারি?

ডালাস শহরে ফ্লক সেফটির ৬০০টির বেশি লাইসেন্স প্লেট রিডার ক্যামেরা ব্যবহার করছে পুলিশ। এসব ক্যামেরা রাস্তা দিয়ে যাওয়া গাড়ির লাইসেন্স প্লেট, গাড়ির ছবি ও কিছু ক্ষেত্রে গাড়ির ধরন শনাক্ত করে তথ্য সংরক্ষণ করে।

Jul 8, 2026 - 19:34
ডালাসে ৬০০টির বেশি লাইসেন্স প্লেট ক্যামেরা, নিরাপত্তা নাকি নজরদারি?
উইকিমিডিয়া কমন্স

ডালাস শহরে ফ্লক সেফটির ৬০০টির বেশি লাইসেন্স প্লেট রিডার ক্যামেরা ব্যবহার করছে পুলিশ। এসব ক্যামেরা রাস্তা দিয়ে যাওয়া গাড়ির লাইসেন্স প্লেট, গাড়ির ছবি ও কিছু ক্ষেত্রে গাড়ির ধরন শনাক্ত করে তথ্য সংরক্ষণ করে।

ফ্লক ক্যামেরা সাধারণ ট্রাফিক ক্যামেরার মতো নয়। এগুলো লালবাতি অমান্য বা গতি সীমা ভাঙার জন্য শুধু নির্দিষ্ট সময়ে ছবি তোলে না। বরং চলাচলকারী গাড়ির তথ্য নিয়মিত স্ক্যান করে ক্লাউডভিত্তিক ডেটাবেইসে পাঠায়। সাধারণত এসব তথ্য একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা হয়।

ডালাস সিটি কাউন্সিল ২০২৫ সালের মে মাসে ফ্লক গ্রুপের সঙ্গে তিন বছরের ৫.৭ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি অনুমোদন করে। পুলিশ বলছে, চুরি হওয়া গাড়ি উদ্ধার, সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা এবং অপরাধ তদন্তে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তবে সমালোচকদের দাবি, এই ধরনের ক্যামেরা সাধারণ মানুষের চলাচলের তথ্যও সংগ্রহ করছে, যদিও তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা না থাকলে এটি বড় ধরনের নজরদারি ব্যবস্থায় পরিণত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ফ্লক ক্যামেরা নিয়ে বিতর্ক বেড়েছে। কোথাও কোথাও তথ্য শেয়ারিং, অভিবাসন আইন প্রয়োগ এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর চুক্তি বাতিল বা পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। ডালাসেও এখন মূল প্রশ্ন হলো, অপরাধ দমনের সুবিধা ও নাগরিক গোপনীয়তার মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে রাখা হবে।

সূত্র: ডালাস এক্সপ্রেস, সিটি অব ডালাস, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস | ৮ জুলাই, ২০২৬