অবশেষে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর মুক্তি
নানা বিতর্কের পর শেষমেশ সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে হাসান জাহাঙ্গীর পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। হাইকোর্টের নির্দেশে সিনেমাটির সেন্সর বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত হওয়ায় এর মুক্তিতে দূর হয় আইনি বাধা।
নানা বিতর্কের পর শেষমেশ সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে হাসান জাহাঙ্গীর পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। হাইকোর্টের নির্দেশে সিনেমাটির সেন্সর বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত হওয়ায় এর মুক্তিতে দূর হয় আইনি বাধা।
গত ২১ মে বিচারপতি হাবিবুল গণির নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর।
হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের পর ২২ মে থেকে দেশের বিভিন্ন হলে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। তবে আশানুরূপ সাড়া ফেলতে পারেনি দর্শকদের মাঝে। ১৬টি হলের মধ্যে একমাত্র সিনেপ্লেক্স হিসেবে কুমিল্লার কে-স্ক্রিনে মুক্তি পায় মৌসুমী, হাসান জাহাঙ্গীর, জেবা জান্নাত ও কাজী হায়াৎ অভিনীত ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’। প্রথম দিন চলেছে তিনটি শো। হল থেকে পাওয়া তথ্যমতে, প্রথম তিন শোর একটিতেও একটি টিকিট বিক্রি হয়নি।
দেশ ছেড়ে প্রবাসজীবন বেছে নেওয়ার পর বাস্তবতা কখনো কখনো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দেয়। সেই গল্প নিয়েই তৈরি হয়েছে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী থাকায় যাঁরা আশা করেছিলেন, ছবিটি দেখতে হলে হুমড়ি খেয়ে পড়বেন দর্শক, তাঁরা হতাশ হয়েছেন। অবশ্য মুক্তির প্রথম দিনের তিনটি শোর দর্শকসংখ্যা দিয়ে ছবিটির চাহিদা নিয়ে কোনো সরলীকরণে যাওয়া ঠিক নয়।
কয়েক সপ্তাহ ধরেই ছবিটি ঘিরে বিতর্ক চলছিল। ছবিটি নিয়ে কদিন আগেই অভিযোগ করেছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তিনি জানান, এটি কোনো সিনেমা নয়; নাটকের কথা বলেই যুক্তরাষ্ট্রে এর শুটিং হয়েছিল।
মৌসুমীর পর ছবিটি নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী জেবা জান্নাত। সিনেমার পোস্টারে চিত্রনায়িকা মৌসুমীর সঙ্গে জেবা জান্নাতকেও দেখা যায়। কিন্তু এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান এ অভিনেত্রী। এমনকি ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নামে কোনো সিনেমা কিংবা নাটকে তিনি অভিনয়ই করেননি বলেও দাবি করেন।
পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো সদুত্তর না পেয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডসহ চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংগঠনে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন জেবা জান্নাত। এর পাশাপাশি টেলিভিশন অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন অ্যাক্টরস ইকুইটিতেও লিখিত অভিযোগ দেন তিনি।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই ১৫ মে সিনেমাটির সার্টিফিকেশন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড।
ডালাস বার্তা প্রতিবেদক