জ্বালানির দাম কমায় জুনে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন পর্যায়ের পণ্যের দাম কমেছে
জ্বালানি ও পেট্রলের দাম কমায় জুনে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদকদের পণ্য ও সেবার দাম মে মাসের তুলনায় ০.৩ শতাংশ কমেছে। তবে ২০২৫ সালের জুনের তুলনায় দাম এখনো ৫.৫ শতাংশ বেশি।
জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য ও সেবা উৎপাদনের পর্যায়ে দাম আগের মাসের তুলনায় ০.৩ শতাংশ কমেছে। পেট্রল ও অন্যান্য জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় পাইকারি দামের এই পতন ঘটেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত প্রডিউসার প্রাইস ইনডেক্স বা পিপিআই প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। অর্থনীতিবিদেরা জুনে পাইকারি দাম অপরিবর্তিত থাকবে বলে ধারণা করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে দাম কমেছে।
মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পাইকারি দাম ০.৬ শতাংশ এবং এপ্রিলে ১.১ শতাংশ বেড়েছিল। জুনের পতনের পরও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পাইকারি দাম ৫.৫ শতাংশ বেশি রয়েছে। অর্থাৎ এক মাসে কিছুটা স্বস্তি এলেও দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির চাপ এখনো পুরোপুরি কমেনি।
জুনে পণ্যের দাম সামগ্রিকভাবে ১.৪ শতাংশ কমেছে। এর মধ্যে জ্বালানির দাম কমেছে ৬.৪ শতাংশ এবং খাদ্যের দাম কমেছে ০.৬ শতাংশ। পেট্রলের পাইকারি দাম এক মাসে ১২ শতাংশ কমেছে। পণ্যের দাম কমার পেছনে পেট্রলের বড় ভূমিকা ছিল।
অন্যদিকে সেবা খাতের দাম জুনে ০.২ শতাংশ বেড়েছে। শেয়ার কেনাবেচা ও বিনিয়োগ পরামর্শ, ঋণসেবা, হাসপাতালে রোগী ভর্তি এবং কিছু খুচরা ব্যবসার মুনাফার পরিমাণ বেড়েছে। ফলে পণ্যের দাম কমলেও সেবা খাতে দামের চাপ রয়ে গেছে।
পাইকারি পর্যায়ের দাম কমলে ভবিষ্যতে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছু পণ্যের দাম কমার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো কম খরচের সুবিধা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেবে কি না, তার ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে। মূল্যস্ফীতির এই তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভবিষ্যৎ সুদের হার নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: সিএনএন ও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো, ১৫ জুলাই ২০২৬