আতশবাজির আগুনে পুড়ে ছাই ফোর্ট ওয়ার্থের একটি পরিবারের বাড়ি, তদন্ত চলছে
ফোর্ট ওয়ার্থের একটি পরিবার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাদের বাড়ি ও একটি গাড়ি হারিয়েছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে। পরিবারের দাবি, প্রতিবেশীর ছোড়া আতশবাজি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। তবে দমকল বিভাগ বলেছে, আগুনের প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন।
ফোর্ট ওয়ার্থের একটি পরিবার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাদের বাড়ি ও একটি গাড়ি হারিয়েছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে। পরিবারের দাবি, প্রতিবেশীর ছোড়া আতশবাজি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। তবে দমকল বিভাগ বলেছে, আগুনের প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন।
গত শুক্রবার রাত ৯টার কিছুক্ষণ পর ইস্ট লুপ ৮২০–এর কাছে এলিস রোড এলাকায় আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফোর্ট ওয়ার্থ ফায়ার ডিপার্টমেন্ট। দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও বাড়ি এবং পরিবারের একটি গাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বাড়ির মালিক ডুয়াইট থমাস জুনিয়র জানান, প্রতিবেশীর নিরাপত্তা ক্যামেরার ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েকজন ব্যক্তি বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি আতশবাজি গ্যারেজের কাছে বিস্ফোরিত হয়। এরপরই তারা দ্রুত দৌড়ে সরে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্যারেজে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে সেটি পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে যায় বলে পরিবারের ধারণা।
পরিবারের ২৩ বছর বয়সী ছেলে প্রথমে ধোঁয়ার গন্ধ পেয়ে অন্যদের সতর্ক করে। সবাই দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হলেও ডুয়াইট থমাস আগুন থেকে বের হওয়ার সময় সামান্য দগ্ধ হন।
বাড়ির মালিক ফেলিসিয়া থমাস বলেন, তাঁদের বাড়িতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ ছিল। তাই আগুন আরও ভয়াবহ বিস্ফোরণের কারণ হতে পারত। তিনি বলেন, পরিবারের সবাই জীবিত বের হতে পেরেছেন—এটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর পরিবারটি আপাতত আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের বাসায় অবস্থান করছে। বীমা কোম্পানির প্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কাজ করছেন। পরিবারের সদস্যরা আশা করছেন, তদন্তে যদি প্রমাণ হয় যে আতশবাজির কারণেই আগুন লেগেছে, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যদি তদন্তে আতশবাজিকেই আগুনের কারণ হিসেবে নিশ্চিত করা হয়, তাহলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে এটি হবে ফোর্ট ওর্থে আতশবাজির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় বড় অগ্নিকাণ্ড। এ ঘটনায় আবারও শহরের ভেতরে অবৈধভাবে আতশবাজি ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্র: ডালাস এক্সপ্রেস, ফক্স ৪ নিউজ, ১৩ জুলাই ২০২৬