টেক্সাসে এআই ডেটা সেন্টারের জন্য নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাড়তে পারে দূষণ নিয়ে উদ্বেগ
টেক্সাসজুড়ে দ্রুত বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডেটা সেন্টারের সংখ্যা। এসব ডেটা সেন্টারে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হওয়ায় বিভিন্ন কোম্পানি নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। তবে পরিবেশবাদীরা সতর্ক করে বলছেন, এর ফলে বায়ুদূষণ এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
টেক্সাসজুড়ে দ্রুত বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডেটা সেন্টারের সংখ্যা। এসব ডেটা সেন্টারে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হওয়ায় বিভিন্ন কোম্পানি নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। তবে পরিবেশবাদীরা সতর্ক করে বলছেন, এর ফলে বায়ুদূষণ এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।
টেক্সাস ট্রিবিউনের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অন্তত ১৫টি নতুন গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা রয়েছে, যেগুলোর বেশির ভাগই এআই ডেটা সেন্টারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত অনুমতি পাওয়া নয়টি প্রকল্প থেকে বছরে ১৩ কোটি টনেরও বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হতে পারে। এই পরিমাণ নির্গমন ৩৫টি নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সমান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অনেক প্রকল্প শুরুতে ছোট আকারের দূষণকারী স্থাপনার জন্য ব্যবহৃত একটি অনুমতি ব্যবস্থার আওতায় আবেদন করছে। ফলে প্রকল্পের শুরুতেই বড় ধরনের পরিবেশগত পর্যালোচনা বা জনসাধারণের মতামত নেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না। পরে ধাপে ধাপে আরও যন্ত্রপাতি যোগ করে প্রকল্পের আকার বাড়ানো হতে পারে বলে সমালোচকদের আশঙ্কা।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, এভাবে বড় প্রকল্প এগিয়ে গেলে আশপাশের বাসিন্দারা সম্ভাব্য বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে আগেভাগে জানার সুযোগ কম পান। তাদের মতে, এত বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের আগে আরও কঠোর পরিবেশগত মূল্যায়ন এবং জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা উচিত।
অন্যদিকে শিল্প-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। তাদের দাবি, নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন ছাড়া এই চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে না। এছাড়া এসব প্রকল্পের মাধ্যমে বিনিয়োগ আসবে এবং নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে।
টেক্সাসে ইতোমধ্যে শত শত ডেটা সেন্টারের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই শিল্প রাজ্যের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে একই সঙ্গে বিদ্যুৎ, পানি, বায়ুর মান এবং স্থানীয় জনগণের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়েও ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
সূত্র: টেক্সাস ট্রিবিউন