কানাডার দাবানলের ধোঁয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ১০ কোটির বেশি মানুষ, বায়ুদূষণের সতর্কতা
কানাডার বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান দাবানলের ধোঁয়া আবারও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, এর প্রভাবে ১০ কোটির বেশি মানুষ খারাপ বায়ুমানের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন এবং অনেক এলাকায় আকাশ ধোঁয়াটে ও কমলা রঙের দেখাতে পারে।
কানাডার বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান দাবানলের ধোঁয়া আবারও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, এর প্রভাবে ১০ কোটির বেশি মানুষ খারাপ বায়ুমানের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন এবং অনেক এলাকায় আকাশ ধোঁয়াটে ও কমলা রঙের দেখাতে পারে।
বিশেষ করে মিনেসোটা, মিশিগান, উইসকনসিন, ইলিনয়, ওহাইও, পেনসিলভানিয়া, নিউইয়র্ক ও নিউ ইংল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় ধোঁয়ার প্রভাব পড়তে পারে। কোথাও কোথাও বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে বায়ুমানের সতর্কতা জারি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দাবানলের ধোঁয়ায় থাকা সূক্ষ্ম কণিকা (পিএম ২.৫) ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। এতে হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, হৃদ্রোগ এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঝুঁকি বেড়ে যায়। শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং আগে থেকেই হৃদ্রোগ বা ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, কিছু এলাকায় ধোঁয়া আকাশের অনেক ওপরে থাকবে, ফলে আকাশ ধোঁয়াটে বা কমলা রঙের দেখা গেলেও মাটির কাছাকাছি বায়ুদূষণ সব জায়গায় সমান মাত্রায় নাও পৌঁছাতে পারে। তবে বাতাসের গতিপথ পরিবর্তিত হলে পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রয়োজনে ঘরের জানালা বন্ধ রাখা, উচ্চমাত্রার বায়ুদূষণের সময় বাইরে ব্যায়াম না করা এবং স্থানীয় বায়ুমানের তথ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন। যাদের শ্বাসকষ্ট বা হৃদ্রোগ রয়েছে, তাদের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন, ১৪ জুলাই ২০২৬