প্রধানমন্ত্রী তারেকের চীন সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে বলে উভয় দেশ ঘোষণা করেছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে বলে উভয় দেশ ঘোষণা করেছে।
দ্য ডেইলি স্টার-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২২ থেকে ২৬ জুন অনুষ্ঠিত এই সফরে তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনফিং ও প্রিমিয়ার লি ছিয়াং-এর সঙ্গে বৈঠক করেন। ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর এটি ছিল তারেকের প্রথম বিদেশ সফর।
এই সফরে তিনটি চুক্তি, একটি কাঠামো চুক্তি, একটি প্রটোকল, একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা এবং নয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা নির্ধারণ করে ১৫ দফা একটি যৌথ ইশতেহারও স্বাক্ষরিত হয় এবং বাংলাদেশ চীনের গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভে যোগ দেওয়ার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে।
দুই দেশ তাদের কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব নতুন স্তরে উন্নীত করেছে, যা চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সর্বোচ্চ স্তর বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন। বাংলাদেশ এক চীন নীতি পুনরায় নিশ্চিত করেছে এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় আঞ্চলিক সংযোগ আরও গভীর করতে সম্মত হয়েছে।
বাংলাদেশ ২০১৬ সালে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে যোগ দেয়। জাতীয় সংসদ গত ২৭ জুন শনিবার সর্বসম্মতিক্রমে এই সফরের সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার