ভোটারদের ১০ লাখ ডলারের চেক দিয়ে আইন ভেঙেছেন মাস্ক, মনে করছে উইসকনসিন কমিশন

যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনের আগে ভোটারদের ১০ লাখ ডলারের চেক দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ইলন মাস্ক সম্ভবত রাজ্যের নির্বাচনী আইন ভেঙেছেন। উইসকনসিন নির্বাচন কমিশন অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

Jul 14, 2026 - 22:35
ভোটারদের ১০ লাখ ডলারের চেক দিয়ে আইন ভেঙেছেন মাস্ক, মনে করছে উইসকনসিন কমিশন

যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনের আগে ভোটারদের ১০ লাখ ডলারের চেক দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ইলন মাস্ক সম্ভবত রাজ্যের নির্বাচনী আইন ভেঙেছেন। উইসকনসিন নির্বাচন কমিশন অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।

কমিশন দুটি অভিযোগ ব্রাউন কাউন্টির জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয়ে পাঠিয়েছে। এখন জেলা অ্যাটর্নি সিদ্ধান্ত নেবেন, মাস্কের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হবে কি না। এ বিষয়ে কমিশনকে সিদ্ধান্ত জানাতে প্রসিকিউটরদের ৪০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের উইসকনসিন সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন সামনে রেখে মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোট দেওয়া ব্যক্তিদের ১০ লাখ ডলার দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। কমিশনের মতে, মানুষকে নির্বাচনে ভোট দিতে উৎসাহিত করার জন্য অর্থ দেওয়ার এই প্রস্তাব রাজ্যের ভোট কেনাবেচা প্রতিরোধ আইনের লঙ্ঘন হয়ে থাকতে পারে।

নির্বাচনের কয়েক দিন আগে গ্রিন বেতে আয়োজিত এক সমাবেশে মাস্ক দুই ব্যক্তির হাতে সরাসরি ১০ লাখ ডলারের চেক তুলে দেন। সব মিলিয়ে উইসকনসিনের তিন ভোটার মাস্কের কাছ থেকে এমন চেক পেয়েছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক সংগঠন আমেরিকা প্যাক ভোটারদের একটি আবেদনে স্বাক্ষর করার জন্য ১০০ ডলার দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিল।

মাস্ক ও তাঁর সমর্থিত সংগঠনগুলো রিপাবলিকান-সমর্থিত প্রার্থী ব্র্যাড শিমেলের পক্ষে অন্তত দুই কোটি ডলার ব্যয় করেছিল। তবে নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত সুসান ক্রফোর্ড প্রায় ১০ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে জয় পান। ওই নির্বাচনে মোট ব্যয় ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিচার বিভাগীয় নির্বাচন।

মাস্কের আইনজীবীরা এর আগে আদালতে বলেছিলেন, এই অর্থ দেওয়ার কর্মসূচি তাঁর মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অংশ। তাঁদের দাবি ছিল, এর উদ্দেশ্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে সরাসরি ভোট চাওয়া নয়। তবে নির্বাচন কমিশনের ছয় সদস্যের মধ্যে পাঁচজন অভিযোগগুলো জেলা অ্যাটর্নির কাছে পাঠানোর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। মাস্কের বিরুদ্ধে এখনো কোনো অভিযোগ গঠন করা হয়নি।

সূত্র: সিএনএন ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, ১৪ জুলাই ২০২৬